বিজ্ঞাপন

২০১১ সালে কোচি টাসকার্সের হয়ে খেলেছিলেন হজ। কিন্তু সেবারের পারিশ্রমিকের ৩৫ শতাংশ এখনো পাননি তিনি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘২০১১ সালে কোচি টাসকার্সের হয়ে খেলেছিলাম। এখনো ৩৫ শতাংশ অর্থ বাকি আছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কি সেই অর্থ দিয়ে দিতে পারবে?’

এই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকপক্ষ নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিল। বিসিসিআইয়ের বারবার তাগাদা সত্ত্বেও নিয়মানুযায়ী ১০ শতাংশ ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল তারা। বিসিসিআই মালিকপক্ষের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলারও অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু কিছুই হয়নি। এরপর এই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে আইপিএল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এমনকি ভারতীয় বোর্ড এই দলে খেলে যাওয়া বিদেশি ক্রিকেটারদেরও মামলা করার পরামর্শ দিয়েছিল। কেবল হজই নন, বেশ কয়েকজন বিদেশি ক্রিকেটার, এমনকি ভারতীয় ক্রিকেটাররাও প্রাপ্য অর্থ বুঝে পাননি। কোচি টাসকারর্স পরবর্তী সময়ে বিসিসিআইয়ের বিরুদ্ধেও মামলা করে। সে মামলার রায়ে বিসিসিআইকে ৫৫০ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় দেওয়া হয়। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকেরা বিসিসিআইকে ক্ষতিপূরণের বদলে তাদের আবার আইপিএলে খেলতে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। তবে বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

default-image

হজ আইপিএলে কোচি ছাড়াও কলকাতা নাইটরাইডার্স ও রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলেছেন। আইপিএলে খেলা তাঁর মোট ম্যাচের সংখ্যা ৬৮। এ ছাড়া দুনিয়ার বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে হজ খেলেছেন। বিপিএলের প্রথম আসরে (২০১২) সালে তিনি বিলুপ্ত ফ্র্যাঞ্চাইজি বরিশাল বার্নার্সের হয়ে খেলেছিলেন। বিগ ব্যাশে তিনি খেলেছেন ভিক্টোরিয়া, মেলবোর্ন রেনেগেডস আর মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে। ২০১১ সালে কোচির হয়ে তিনি ১৪ ম্যাচ খেলে ৩৫.৬৩ গড়ে ২৮৫ রান করেছিলেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন