বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাঁর ঝোড়ো সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। তারা ৮ উইকেটে হারিয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাউডার্সকে। লুইসের সেঞ্চুরির এমনই প্রভাব ছিল যে ত্রিনবাগোর ৭ উইকেটে গড়া ১৫৯ রানের সংগ্রহকে ৩২ বল হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে প্যাট্রিয়টস।

১৮০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন লুইস। ৪৫টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি। ক্যারিয়ার-স্ট্রাইকরেট দেখলেই বোঝা যায় কেন তাঁকে ‘নতুন গেইল’ বলে সকলে—সাধারণ টি-টোয়েন্টিতে ১৪৪.৭৪ আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১৫৮.০৩। দুই ধরনের টি-টোয়েন্টি মিলে রান করে ফেলেছেন ৭ হাজারের কাছাকাছি। তিরিশের ওপর গড়ও বলে দেয় তাঁর মান। ২০১৯ সালের পর কিছুটা নিষ্প্রভ হয়ে পড়া লুইস কাল যেন নতুন করে নিজেকে চিনিয়েছেন। শেষ দুই বছরে সেঞ্চুরিও ছিল না। অথচ, আগেই করে ফেলেছিলেন ৪ খানা শতরান। সেই খরাটা কী চমৎকার একটা সময়ে ঘোচালেন তিনি—একেবারে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দিয়ে!

default-image

৫২ বলে ১০২ রান করেছেন তিনি। এর মধ্যে সেঞ্চুরিটা এসেছে ৫১ বল খেলে। ১১টি ছক্কার সঙ্গে মেরেছেন ৫টি বাউন্ডারিও। অবিশ্বাস্য স্ট্রাইকরেট—১৯৬.১৫। এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে কলিন মুনরোর ৪৭ আর শেষ দিকে সুনীল নারাইনের মারমুখী ব্যাটিংয়ে ১৫৯ রান করে ত্রিনবাগো। লুইসের ব্যাটিং–ঝড়ে মোটামুটি চ্যালেঞ্জিং সে সংগ্রহ খুব বড় মনে হয়নি প্যাট্রিয়টসের।

বিশ্বকাপে এমন একটা ঝড় এভিন লুইসের কাছে তো চাইতেই পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন