বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অবশ্য এ সংস্করণ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর না নিলেও ২০০৯ সালের পর থেকে টেস্ট খেলেন না মাশরাফি বিন মুর্তজা। ‘পঞ্চপাণ্ডব’ একসঙ্গে টেস্ট খেলেছেন একটিই, ২০০৯ সালেই। কিংসটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সে টেস্টেই অভিষেক হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর, এখন পর্যন্ত শেষটি খেলেছিলেন মাশরাফি।

মাশরাফিকে বাদ দিলে বাকি চারজনকে ছাড়া বাংলাদেশ সর্বশেষ টেস্ট খেলতে নেমেছিল ২০০৬ সালের আগস্টে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। সে টেস্টটা ঐতিহাসিক হয়ে আছে জেসন গিলেস্পির কারণে। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নেমে সেবার দ্বিশতক করেছিলেন গিলেস্পি। মজার ব্যাপার হলো, ক্যারিয়ারে সেটিই ছিল গিলেস্পির শেষ টেস্ট।

মাশরাফি বিদায় না বললেও মাহমুদউল্লাহ অবশ্য টেস্ট থেকে অবসর দিয়েছেন। গত বছর জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টের দলে ফিরেছিলেন, তবে সে টেস্টের পরই আকস্মিক বিদায় বলে দেন তিনি। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন বেশ পরে।

default-image

চোটের কারণে নিউজিল্যান্ড সফরে যাননি তামিম ইকবাল। পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার ভেতর ছিলেন তিনি। আর সাকিব এ সফর থেকে ছুটি নিয়েছেন।

ফলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে পঞ্চপাণ্ডবের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন মুশফিকই। চতুর্থ ইনিংসে জয়সূচক রানও এসেছিল মুশফিকের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকের জায়গায় খেলছেন নুরুল হাসান। দলের উইকেটকিপিংয়ের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।

‘সিনিয়র’ ক্রিকেটারদের ছাড়াই ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর সম্প্রতি সাকিব বলেছিলেন, ‘এটা অবশ্যই ভালো লাগার মতো ব্যাপার। সংবাদমাধ্যম সব সময় মনে করে, আমরা চার-পাঁচজন ছাড়া খেলোয়াড় নেই। সেটা ভুল প্রমাণিত হলো বলে আমার ধারণা। তাদের (অন্য ক্রিকেটারদের) যদি এভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়, তারা ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

মুমিনুলের দল নিয়ে নিজের গর্বের কথাও জানিয়েছিলেন সাকিব, ‘না, আমি বরং অনেক বেশি খুশি হয়েছি যে আমি ছাড়াও জিতেছে। শুধু আমি ছাড়া না, আমি থাকা না–থাকা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মনে হয় না। যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে আমাদের দলটা খেলছে এবং কেমন করছে। সেদিক থেকে আমি খুবই খুশি। খুবই গর্বিত প্রত্যেক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের ব্যাপারে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন