দারুণ ফর্মে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ রিজওয়ানের।
দারুণ ফর্মে র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ রিজওয়ানের।ছবি: এএফপি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজটা ২-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। গতকাল প্রোটিয়াদের ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক দল। সিরিজ জয়ের পুরো কৃতিত্ব মোহাম্মদ রিজওয়ানকে দিতে পারে পাকিস্তান। প্রথম দুই ম্যাচে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। তৃতীয় ম্যাচেও তাঁর ইনিংসটাই দলের রান তাড়ার গতি ঠিক করে দিয়েছে। অনুমিতভাবেই সিরিজসেরা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

এমন দুর্দান্ত ফর্ম নিরাশ করেনি রিজওয়ানকে। আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিং দুহাত ভরে দিয়েছে তাঁকে। তিন ম্যাচে এক সেঞ্চুরি, এক ফিফটিতে ১৯৭ রান করা রিজওয়ান টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় এক লাফে এগিয়েছেন ১১৬ ধাপ! টি-টোয়েন্টিতে এখন ৪২তম ব্যাটসম্যান রিজওয়ান। অবশ্য লাফের দিক থেকে রিজওয়ানের চেয়েও এগিয়ে আছেন একজন। কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আবদুল কাদিরের সন্তান উসমান কাদির। তিন ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়েই ১২৯ ধাপ এগিয়েছেন এই লেগ স্পিনার (৯২তম)।

বিজ্ঞাপন

লেগ স্পিনের কথা বললে এই সিরিজ থেকে সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি লেগ স্পিনার তাব্রেইজ শামসির। এই চায়নাম্যান বোলার পাকিস্তানের উইকেটের সর্বোচ্চটা আদায় করে নিয়েছেন শেষ ম্যাচে। দলকে জেতাতে না পারলেও ৪ উইকেট পেয়েছেন। আর সে সুবাদে তিন ধাপ এগিয়ে উঠে গেছেন দ্বিতীয় স্থানে। ক্যারিয়ারে এই প্রথম বোলারদের শীর্ষ দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন শামসি। শীর্ষেও আছেন আরেক লেগ স্পিনার। বহুদিন ধরেই শীর্ষে আছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। শীর্ষ পাঁচে আফগানিস্তানের মুজিব উর রেহমান ছাড়া বাকি দুজনও লেগ স্পিনার। একজন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, অন্যজন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম জাম্পা।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ১৭ রানে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। এমন পারফরম্যান্সে র‍্যাঙ্কিংয়ে এগোবেন জানাই ছিল। সেটা ৭০ ধাপ হবে, এতটা বোধ হয় নিজেও আশা করেননি। ১২১ থেকে ৫১-তে চলে এসেছেন প্রিটোরিয়াস। এটা তাঁর ক্যারিয়ার সেরা অবস্থান। এই অলরাউন্ডার ক্যারিয়ারে এর আগে কখনো শীর্ষে ১০০-তেই ছিলেন না! এর আগের সেরা অবস্থান ছিল তাঁর ১০৭।

default-image

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি বাংলাদেশের। ফলে র‍্যাঙ্কিংয়ের এমন লাফঝাঁপে বাংলাদেশের কাউকে দেখা যায়নি। অলরাউন্ডারদের তালিকায় আগের মতোই দুইয়ে আছেন সাকিব আল হাসান। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবীর চেয়ে ২৬ রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে সাকিব। মাহমুদউল্লাহ আছেন ১১ নম্বরে।

ব্যাটিংয়ে শীর্ষ ১০০ ব্যাটসম্যানের মধ্যে বাংলাদেশের আছে ৮ জন। সবার ওপরে আছেন লিটন দাশ। ২১ নম্বরে থাকা লিটনের পর মাহমুদউল্লাহ আছেন ৩১ নম্বরে। এরপর আছেন মোহাম্মদ নাঈম (৪০), সৌম্য সরকার (৪৩), তামিম ইকবাল (৪৯), সাকিব আল হাসান (৫১), মুশফিকুর রহিম (৫৬) ও সাব্বির রহমান (৬৩)।

বোলারদের মধ্যে এগিয়ে আছেন সাকিবই। ১৮ নম্বরে থাকা সাকিবের পর জায়গা পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান (৩১)। এরপর আছেন আল আমিন হোসেন (৪৩), শফিউল ইসলাম (৮৮) ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (৯২)।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন