বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কয়েক বছর হলো পাকিস্তানে বিদেশি দলগুলো সফর করা শুরু করেছে। জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশের পর পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকাও। তবে গত সেপ্টেম্বর মাসেই ১৮ বছর পর পাকিস্তানে গিয়েও সিরিজ শুরুর আগমুহূর্তে নিরাপত্তা–শঙ্কাকে কারণ দেখিয়ে দেশে ফিরে যায় নিউজিল্যান্ড।

এর পরপরই সফর বাতিল করে ইংল্যান্ড। এ দুটি সফর বাতিল হওয়াটা বড় ধরনের ধাক্কা হয়েই এসেছিল পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য। কিছুদিন আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাকিস্তান সফরে যাওয়ার ব্যাপারটি চূড়ান্ত করেছে। এখন অস্ট্রেলিয়ার মতো দল পাকিস্তান সফরের ঘোষণা দেওয়াটা তাদের জন্য বড় সুসংবাদই।

পাকিস্তানে তিনটি করে টেস্ট, ওয়ানডে আর একটি টি–টোয়েন্টি খেলবে অস্ট্রেলিয়া। সফর শুরু হবে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। আগামী বছর ৩–৭ মার্চ করাচিতে হবে প্রথম টেস্ট। রাওয়ালপিন্ডিতে দ্বিতীয় টেস্ট ১২-১৬ মার্চ। আর ২১-২৫ মার্চ লাহোরে হবে সিরিজের শেষ টেস্ট ম্যাচ। এই টেস্টগুলো আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ। ওয়ানডে হবে যথাক্রমে ২৯ ও ৩১ মার্চ এবং ২ এপ্রিল। প্রতিটি ম্যাচই হবে লাহোরে।

একমাত্র টি-টোয়েন্টিও হবে লাহোরে ৫ এপ্রিল। এই সফরের সূচিতে থাকা ওয়ানডেগুলো আইসিসি সুপার লিগের অংশ। আজ আলাদা বিবৃতিতে সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড।

পরপর দুটি দেশের সফর বাতিলের কারণে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডর চেয়ারম্যান রমিজ রাজা। তবে অস্ট্রেলিয়ার সফরের সিদ্ধান্তে স্বস্তি ফিরেছে তাঁর, ‘আমি খুব আনন্দিত হয়ে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলকে স্বাগত জানাচ্ছি। এটা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের শুধু ঐতিহ্যবাহী মাঠগুলোতে খেলার সুযোগই দেবে না, বরং আতিথেয়তা, সম্মান ও ভালোবাসা উপভোগেরও সুযোগ করে দেবে।’

১৯৯৮ সালে মার্ক টেলরের অধিনায়কত্বে পাকিস্তানে খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই ১৯৫৯–৬০ সালে রিচি বেনোর দল ২–০ ব্যবধানে হারিয়েছিল ফজল মাহমুদের পাকিস্তানকে। এরপর টেলরের অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানে গিয়ে ১–০ তে জয় পেয়েছিল। সে সফরেই পেশোয়ার টেস্টে ৩৩৪ রানে করে ডন ব্রাডম্যানের সঙ্গে ব্র্যাকেটবন্দী হয়েছিলেন টেলর।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন