৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক-মিঠুন।
৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন মুশফিক-মিঠুন।ছবি: টুইটার

নিউজিল্যান্ডের মাঠে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড করতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরিতে ২৮৮ রান তুলেছিল দল। সে রেকর্ড আজ একটু চেষ্টা করলে ভেঙে ফেলতে পারত, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহর আউট হয়ে যাওয়া শেষ দিকে রান তোলায় বাধা সৃষ্টি করেছে। ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেললেও একা মোহাম্মদ মিঠুনের পক্ষে দলকে তিন শর কাছাকাছি স্কোর এনে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ২৬ রান তোলা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত থেমেছে ২৭১ রানে। এতেই অবশ্য অন্য এক রেকর্ড হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে এত রান এর আগে তোলেনি বাংলাদেশ। এর আগের সর্বোচ্চ ২৪১।

বিজ্ঞাপন
default-image

২০১০ সালের সে রেকর্ডও ক্রাইস্টচার্চে। দুই দলের সিরিজে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও আজ নতুন করে লেখা হয়েছে। ২০১৬ সালে এই ক্রাইস্টচার্চেই ২৬৪ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। সেদিন অবশ্য ৩৪২ রানের লক্ষ্যে নেমেছিলেন তামিমেরা।
দ্বিপক্ষীয় সিরিজে কিউইদের মাঠে প্রথমবারের ২৭০ ছাড়ানো স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ।

চে নেমে মোহাম্মদ মিঠুনের ৫৭ বলে ৭৩ রানেই সম্ভব হয় এ স্কোর গড়া। কাল বোলিং কোচ ওটিস গিবসন বারবার অন্তত ২৬০-২৭০ রান তোলার তাগাদা দিচ্ছিলেন। মিঠুনও বলছিলেন, বোলারদের লড়াই করার পুঁজি এনে দিতে চান। তামিম ইকবাল আউট হয়ে যাওয়ার পর মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহরা রানের গতি বাড়ানোর দায়িত্বে ব্যর্থ হলেও মিঠুন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলেছেন।

কোচ গিবসন বোলারদের নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন কাল। তাঁর ধারণা, ২৭০ রানের মতো রান হলে লড়াই করা সম্ভব। যদিও ক্রাইস্টচার্চের রেকর্ড খুব একটা আশা জাগাচ্ছে না। এই মাঠে ২৭১ রানের নিচে ৩৮ বার থেমেছে দলগুলো। এর মধ্যে মাত্র ১৪ বার জয় নিয়ে ফিরেছে দলগুলো।

আর যদি অতিথি দলের কথা হিসাব করা হয়, তাহলে রেকর্ড বাংলাদেশের আশা আরও কমিয়ে দেবে। ক্রাইস্টচার্চে অতিথিদের ২৭১ বা এর কমে থামার নজির আছে। এর মধ্যে মাত্র ছয়বার জয় পেয়েছে দলগুলো।

ছয়টি জয় থেকেই চাইলে আত্মবিশ্বাস খুঁজে নিতে পারে বাংলাদেশ। বিশেষ করে সর্বশেষ জয়ী দলের নামটি যেহেতু জিম্বাবুয়ে। তবে চিন্তার বিষয় হলো সে ঘটনার বয়সও ২৩ বছর।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন