জিম্বাবুয়েকে বিরাট লক্ষ্য দেওয়ার পেছনের কারিগর ছিলেন দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাদমান ইসলাম ও নাজমুল হোসেন। সাদমান ১১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্য প্রান্তে ১১৭ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল। ৪৩ রান করে আউট হন সাইফ হাসান। ৪৭৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে হারারে টেস্ট জিততে হলে জিম্বাবুয়ের হাতে রয়েছে প্রায় চার সেশনের বেশি সময়।

এর আগে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ৪৬৮ রান করে। মাহমুদউল্লাহর ক্যারিয়ার-সেরা ১৫০ রান ছিল বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের মেরুদণ্ড। এ ছাড়া সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েছিলেন লিটন দাস। ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। ফিফটি ছাড়িয়ে গেছেন অধিনায়ক মুমিনুল হক ও তাসকিন আহমেদও।

প্রথম ইনিংসের বিরাট রানের পর ম্যাচে টিকে থাকতে হলে জিম্বাবুয়েরও প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে হতো। সেটি করতে দেননি বাংলাদেশি দুই স্পিনার সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজ নিয়েছেন ৫ উইকেট, ৪ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। দুই স্পিনারের ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়ে অলআউট মাত্র ২৭৬ রানে, বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে পেয়েছে ১৯২ রানের লিড।

এরপর প্রথম ইনিংসে যেই বাংলাদেশি টপ অর্ডার হয়েছিল ব্যর্থ, তারাই দ্বিতীয় ইনিংসে দাপট দেখায়। গতকাল তৃতীয় দিনের শেষ বেলায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ১৭ ওভার খেলে ৪৫ রান তোলে। চতুর্থ দিন সকালেও সাইফ-সাদমান জুটি খেলছিল বিরাট রানে চোখ রেখে। তবে সাইফ ৪৩ রান করে পয়েন্টে ক্যাচ দিলে ভাঙে ৮৮ রানে ওপেনিং জুটি।

এরপর আজ আর কোনো উইকেটের পতন ঘটেনি। তিনে নামা নাজমুলের সঙ্গে ১৯৬ রানের অপরাজিত জুটি গড়েন সাদমান। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিতে দিনটি রাঙান সাদমান। গত শ্রীলঙ্কা সিরিজে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পাওয়া নাজমুল আজ হারারেতে তুলে নিয়েছেন তাঁর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি।