default-image

শুরুর ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল তুলে নিলেন নিজের ২২তম টেস্ট-ফিফটি। তাঁর ৮৪ রানের ইনিংস সবকিছুই সহজ করে দিয়েছিল বাংলাদেশের। সবাই যখন তামিমের তিন অঙ্ক ছোঁয়ার অপেক্ষায়, ঠিক তখনই মাথা গরম করে আউট তামিম। তিনি অবশ্য দিলরুয়ান পেরেরাকে তুলে মারতে চেয়েছিলেন লং অন দিয়ে, কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে তা উঠে গেল ওপরে। দিনেশ চান্ডিমালের দুর্দান্ত ক্যাচটিকে কিন্তু বাহবা দিতেই হয়। ১২৫ বলে ৮২ রান করে ফিরেছেন তিনি। চা বিরতির আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৫৬। জয়ের জন্য আর ৩৫ রান দরকার বাংলাদেশের।

সাব্বিরের সঙ্গে তাঁর জুটিটা ১০৯ রানের। তৃতীয় উইকেটে এই জুটি বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করে দলকে। শ্রীলঙ্কার ছুড়ে দেওয়া ১৯১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২২ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বসেছিল বাংলাদেশ। লঙ্কান অধিনায়ক রঙ্গনা হেরাথের পরপর দুই বলে সৌম্য ও ইমরুলের উইকেট বিপদে ফেলে দিয়েছিল দলকে। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করে তামিম-সাব্বিরের এই জুটি। তারপর এই জুটি নতুন করে স্বপ্ন দেখিয়েছে বাংলাদেশকে।
সাব্বির দুর্দান্ত খেলেছেন। কিন্তু নিজের ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। ৭৬ বলে ৪১ রান করে দিলরুয়ান পেরেরার বলে এলবিডব্লিউ  হয়ে যান। পেরেরার বলে সুইপ করতে চেয়েছিলেন সাব্বির। ব্যাটে না লেগে বল লাগে তাঁর প্যাডে। আবেদন হয়েছিল। সাড়া দেননি আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে সফল পেরেরা।
টেস্টে বাংলাদেশ রান তাড়া করে জিতেছে মাত্র দুবার। ২০০৯ সালের জুলাইয়ে গ্রেনাডায় ২১৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল ৪ উইকেটে। ২০১৪ সালের অক্টোবরে মিরপুর টেস্টে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ১০১ রানের লক্ষ্যটা অবশ্য তাড়া করতে নেমে ঘাম ছুটে গিয়েছিল বাংলাদেশের, জিতেছিল ৩ উইকেটে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন