default-image

১৯৯৬ সালে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রথম প্রস্তাব নিয়ে আসেন লোলিত মোদি। কিন্তু তাঁর পরিকল্পনা পছন্দ হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তৎকালীন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার। রত্নাকর শেঠির আত্মজীবনী ‘অন বোর্ড মাই ইয়ারস ইন বিসিসিআই’ বইয়ে বলা হয়েছে, এ কারণে ডালমিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মোদি।

default-image

মোদি এখানে না থেমে হাঁটলেন ভিন্ন পথে। ৫০ ওভারের টুর্নামেন্টটি মাঠে নামাতে না পারলেও শেষ পর্যন্ত সেটিকে ২০ ওভারে রূপান্তরিত করলেন তিনি। ১৯৯৯ সালে হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে ২৫ লাখ টাকা দিয়ে সংস্থাটির প্রতিনিধি হন মোদি। সেবার তাঁর উদ্দেশ্য ছিল বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তা আইএস বিন্দ্রার কাছাকাছি যাওয়া।

সে চেষ্টার ধারাবাহিকতায় কয়েক বছর পরই যুক্ত হন রাজস্থান ক্রিকেট সংস্থার সঙ্গে। সেখানে সভাপতি পদে নির্বাচনও করেন তিনি। নির্বাচনে এক ভোটের ব্যবধানে হেরে যান মোদি। তবে কিছুদিনের মধ্যেই সহসভাপতি নির্বাচিত হয়ে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার সুযোগ হয় তাঁর।

default-image

২০০৭ সালে সুযোগও চলে আসে মোদির সামনে। সেটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কল্যাণে। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সে বিশ্বকাপে ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সে জয়ে এ সংস্করণ ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়ে যায়।

এ সংস্করণে ভারতের উন্নতির জন্য বিসিসিআইয়ের কাছে টুর্নামেন্টের প্রস্তাব দেন মোদি। একই সঙ্গে মোটা অঙ্কের পৃষ্ঠপোষকতা, টিভি স্বত্ব বিক্রিরও দায়িত্ব নেন তিনি। বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের এটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট। তবে এখন আর আইপিএলের সঙ্গে নেই নানা কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়া এই কর্মকর্তা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন