৫৭ বল হাতে রেখেই মোস্তাফিজদের জয়

দিল্লির বিপক্ষে আজ ২৮ রানে ১ উইকেট পেয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমানছবি: আইপিএলের ওয়েবসাইট

দিল্লি ক্যাপিটালসের বেশ কয়েকজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় ম্যাচটি পুনে থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় মুম্বাইয়ে। পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে মোস্তাফিজুর রহমানদের আইপিএলের ম্যাচটি তবু পড়েছিল শঙ্কার মুখে। মিচেল মার্শের পর দ্বিতীয় বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে যে করোনা পজিটিভ হয়েছেন টিম সাইফার্টও! শেষ পর্যন্ত অবশ্য কাল ঠিক সময়েই শুরু হয়েছে খেলা। তবে শেষ হয়েছে একটু আগেভাগেই! মোস্তাফিজদের দিল্লি যে পাঞ্জাবকে উড়িয়ে দিয়ে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে ৫৭ বল বাকি থাকতে!

৩০ বলে ৬০ রান করেছেন দিল্লির ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার
ছবি: আইপিএলের ওয়েবসাইট

দিল্লির বোলারদের সমন্বিত পারফরম্যান্সে পাঞ্জাব গুটিয়ে গেছে ২০ ওভারে ১১৫ রানেই। আইপিএলের এ মৌসুমে কোনো দলের এটিই সর্বনিম্ন স্কোর। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা পাঞ্জাবের শুরুটা ভালোই হয়েছিল শিখর ধাওয়ান ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের ব্যাটে। চতুর্থ ওভারে ধাওয়ান ফেরার পর থেকেই নামে ধস। মোস্তাফিজের করা পরের ওভারে স্টাম্পে বল ডেকে এনে বোল্ড আগারওয়াল। সে ওভারেই জনি বেয়ারস্টো টানা দুই চার মারেন মোস্তাফিজকে। এরপরও অবশ্য পাঞ্জাব উইকেট হারাতে থাকে নিয়মিত বিরতিতে। ১০ ওভারের মধ্যেই ফেরেন বেয়ারস্টো ও লিয়াম লিভিংস্টোন। পঞ্চম উইকেটে শাহরুখ খান ও জিতেশ শর্মার ৩১ রানের জুটিও খুব বেশিদূর নিতে পারেনি পাঞ্জাবকে। ৮৫ থেকে ৯২-এই ৭ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারায় তারা। ইনিংস সর্বোচ্চ ২৩ বলে ৩২ রান জিতেশেরই।

দিল্লিকে ম্যাচ জিতিয়ে ফিরছেন ওয়ার্নার (ডানে)
ছবি: আইপিএলের ওয়েবসাইট

প্রথম ওভারে এক উইকেটের বিপরীতে ২টি চার খেয়েছিলেন মোস্তাফিজ, পরের ৩ ওভারে ১৭ রান দিয়ে উইকেট পাননি আর। খলিল আহমেদ, ললিত যাদব, অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেও পাঞ্জাবের বোলারদের ওপর চড়াও হন দিল্লির দুই ওপেনার পৃথ্বি শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। মাত্র ৬.৩ ওভারেই তাঁরা তুলে ফেলেন ৮৩ রান। জুটি ভাঙে রাহুল চাহারের বলে শয়ের আউটে। আউট হওয়ার আগে ২০ বলে ৪১ রান করেছেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান। ইনিংসটিতে তিনি সাতটি চারের পাশাপাশি মেরেছেন একটি ছয়।

এরপর বাকি কাজটুকু ওয়ার্নার সরফরাজ খানকে সঙ্গে নিয়ে সেরে ফেলেন। দিল্লিকে ৯ উইকেটে জেতাতে ওয়ার্নার ৩০ বলে ১০টি চার ও একটি ছয়ে করেছেন অপরাজিত ৬০ রান। সরফরাজ অপরাজিত ছিলেন ১৩ বলে ১২ রান করে।