বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত রোববার গভীর রাতে দেশে ফিরেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। দলের অন্যরা নির্ঝঞ্ঝাটে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সারলেও আটকা পড়েছেন পান্ডিয়া। জানা গেছে, কাস্টমস কর্মকর্তাদের কাছে দুবাই থেকে আনা দুটি ঘড়ির যে চালানপত্র দিয়েছেন, পান্ডিয়ার সঙ্গে আনা ঘড়ি দুটির সিরিয়াল এর সঙ্গে মিলছে না।

default-image

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, পান্ডিয়া নাকি বলেছেন, এ ঘড়িগুলো তাঁর আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সিরিয়াল নাম্বার মিলিয়ে এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আর পান্ডিয়া বলেছিলেন, দুটি ঘড়ির মূল্য মোট ১ কোটি ৮০ লাখ রুপি। একটি ১ কোটি ৪০ লাখ রুপি, অন্যটি ৪০ লাখ রুপি। কিন্তু জানা গেছে, প্যাটেক ফিলিপের ওই দুই ঘড়ির দাম ৫ কোটি রুপি।

সূত্র জানিয়েছে, পান্ডিয়াকে এখন চালানপত্রের সঙ্গে ঘড়ির তথ্যের গরমিলের ব্যাখ্যা দিতে হবে। অর্থাৎ সিরিয়াল নাম্বার মিলছে—এমন চালানপত্র দিতে হবে। এসব ঘড়ির ক্ষেত্রে মূল্যের ৩৮ শতাংশ কর দিতে হয়। পান্ডিয়া যদি সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন, ঘড়িগুলো জব্দ করা হবে।

default-image

ঘড়ির প্রতি পান্ডিয়ার মোহ নতুন কিছু নয়। গত আগস্টে ইনস্টাগ্রামে পান্ডিয়া নিজের কিছু ছবি পোস্ট করেছিলেন। যেখানে প্যাটেক ফিলিপ নটিলাস প্লাটিনাম ৫৭১১ মডেলের একটি ঘড়ির ছবি ছিল। পুরোপুরি প্লাটিনাম দিয়ে বানানো এ ঘড়িতে ঘণ্টার ঘর হিসেবে মূল্যবান রত্ন পান্না ব্যবহার করা হয়েছে। এমন একটি ঘড়ির মূল্যই ৫ কোটি রুপির বেশি।

default-image

মজার ব্যাপার, গত বছর হার্দিকের বড় ভাই ক্রুনাল পান্ডিয়াও এভাবে মুম্বাই এয়ারপোর্টে আটকা পড়েছিলেন। সেবারও দুবাই থেকে ফেরার পর আটক করা হয়েছিল এ ক্রিকেটারকে। তথ্য গোপণ করে সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান পণ্য আনার দায়ে সেবার আটকা পড়েছিলেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। শোনা যায়, এক কোটি রুপির বেশি মূল্যের সোনা ও দামি কিছু ঘড়ি জব্দ হয়েছিল সেবার।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন