default-image

অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে ভারত। ৭০ দিনের দীর্ঘ এ সফরে ১২ নভেম্বর সিডনির উদ্দেশে উড়োজাহাজে চড়বেন বিরাট কোহলিরা। তখন তাঁদের জার্সিতে স্পনসর না থাকার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত শঙ্কাটা কেটে গেছে। জার্সির স্পনসর পেয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। গেমিং অ্যাপ মোবাইল প্রিমিয়ার লিগ বা এমপিএলের সঙ্গে সেই চুক্তি।

ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকি এর আগে ভারতীয় দলের জার্সির স্পনসর ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রতিষ্ঠান ম্যাচপ্রতি ৮৭ লাখ রুপি করে দিয়েছে বিসিসিআইকে। নতুন চুক্তিতে অবশ্য কম মূল্যেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ভারতকে। তিন বছরের এই চুক্তিতে বিসিসিআই ম্যাচপ্রতি ভিত্তিমূল্য হিসেবে অন্তত ৬৫ লাখ রুপি পাবে। নাইকির সঙ্গে আগের চুক্তি থেকে যা ২৫ শতাংশ কম।

নাইকির চুক্তিতে পণ্য বেচা-কেনার স্বত্ব নিয়ে আরও ৩০ কোটি রুপির রয়্যালটি ফি চুক্তি ছিল ভারতীয় বোর্ডের। তিন বছরের সেই চুক্তির ভিত্তিমূল্য ছিল ২৪ কোটি রুপি।

বিজ্ঞাপন

ভারতীয় দলের সঙ্গে নাইকির ১৪ বছরের স্পনসর চুক্তির মেয়াদ গত সেপ্টেম্বরে ফুরিয়েছে। এরপর বিসিসিআইয়ের নতুন দরপত্রে আর অংশ নেয়নি নাইকি। তাদের চুক্তির মেয়াদ ফুরানোর পর স্পনসর হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল পুমা ও অ্যাডিডাসের মতো খ্যাতনামা ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এ দুটি প্রতিষ্ঠানও দরপত্রে অংশ নেয়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বড় বড় ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলোর সঙ্গে ছোট মেয়াদে চুক্তি করতে আগ্রহী। ভারতীয় দলের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে চুক্তি করতে তাদের তেমন একটা আগ্রহ নেই। আইপিএলে যে জনপ্রিয়তা এবং টুর্নামেন্টটির আকর্ষণ বিচারেই স্পনসর প্রতিষ্ঠানগুলো সেদিকে ঝুঁকছে।

এক শিল্পবিশেষজ্ঞ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘হিন্দুস্তান টাইমস’কে বলেছেন, ‘এখন আইপিএল থেকে প্রচুর টাকা আসছে আর তা পরিষ্কার বোঝাও যাচ্ছে।’

তিন বছরের এ চুক্তির মোট মূল্য ১২০ কোটি রুপির বেশি। এ ছাড়া এমপিএল যত জার্সি বেচবে সেখান থেকে জার্সিপ্রতি ১০ শতাংশ রাজস্ব পাবে বিসিসিআই।

বিসিসিআই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর আগেই সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে অনলাইন গেমিং অ্যাপ প্রতিষ্ঠান মোবাইল প্রিমিয়ার লিগের (এমপিএল) সঙ্গে “কিট” চুক্তি করেছে তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিন বছরের এ চুক্তির মোট মূল্য ১২০ কোটি রুপির বেশি। এ ছাড়া এমপিএল যত জার্সি বেচবে সেখান থেকে জার্সিপ্রতি ১০ শতাংশ রাজস্ব পাবে বিসিসিআই।

বিসিসিআইয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন এই চুক্তির ব্যাপারে, ‘হ্যাঁ, আমরা এমপিএলের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছি, যা ২০২০–এর নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে। কিট স্পনসরশিপ চুক্তিতে ম্যাচপ্রতি ৬৫ লাখ রুপি ধরা হয়েছে এবং পণ্য বেচা–কেনার চুক্তিতে তিন বছর মেয়াদে বছরপ্রতি ৩ কোটি রুপির চুক্তি করা হয়েছে। প্রতি মৌসুমে নিট বিক্রির ১০ শতাংশ রাজস্বও পাওয়া যাবে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0