default-image

নতুন বলে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি পেসার চামিন্দা ভাসের সঙ্গী ছিলেন বহুদিন। দেশের হয়ে টেস্ট আর ওয়ানডে মিলে খেলেছেন ১২৫ ম্যাচ। বাঁ হাতে পেস বোলিং করার পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে ব্যাট হাতে ঝড়ও তুলতে পারতেন বেশ। টেস্ট ক্রিকেটের প্রথম তিন বলে তিন উইকেট নিয়ে হ্যাটট্রিক করার কীর্তি আছে শুধু তাঁরই। পরে আইপিএলে ডেকান চার্জার্সের হয়েও খেলেছেন এক মৌসুম। সেই নুয়ান জয়সা আবারও এসেছেন খবরে। তবে ইতিবাচক কোনো কারণে নয়। দুর্নীতির দায়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি।

জয়সাকে নিয়ে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিটের সন্দেহ বেশ পুরোনো। ২০১৮ সাল থেকে স্থগিতাদেশ জারি ছিল তাঁর ওপর। এবার পুরো ছয় বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধই হয়ে গেলেন তিনি। তবে একটা সুখবর, যেহেতু স্থগিতাদেশ জারির সময় থেকে শাস্তির মেয়াদ হিসাব করবে আইসিসি, তাই আড়াই বছর কম শাস্তি ভোগ করতে হবে তাঁকে।

জয়সার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্তর্জাতিক ম্যাচের ফল বা ম্যাচের গতিধারা প্রভাবিত করার চেষ্টা করা, ম্যাচ পাতানো থেকে শুরু করে সরাসরি বা যেকোনো উপায়ে কাউকে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালা লঙ্ঘনে প্রলুব্ধ করা, আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট বা আকসুর কাছে তথ্য গোপনের চেষ্টা করা।

বিজ্ঞাপন

আইসিসির নৈতিকতা ইউনিটের মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল মনে করেন, শ্রীলঙ্কার হয়ে ১২৫ ম্যাচ খেলেছে জয়সা। এক দশকের ক্যারিয়ারে অনেকবার দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন। কোচ হিসেবে তাঁর আরও রোলমডেলের ভূমিকা পালন করার কথা ছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি অপরাধীর সঙ্গে যোগসাজশ করে আরও অন্যকে অপরাধের দিকে প্রলুব্ধ করেছেন।

জয়সা নিষিদ্ধ হওয়ায় দুর্নীতির দায়ে আইসিসির কাছ থেকে শাস্তি পাওয়া লঙ্কান ক্রিকেটারদের তালিকাটা আরেকটু লম্বা হলো এতে। কিছুদিন আগে সাবেক পেসার দিলহারা লোকুহেট্টিগে নিষিদ্ধ হয়েছেন আট বছর। ২০১৯ সালে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটকে সাহায্য না করার দায়ে সনৎ জয়াসুরিয়াকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে একই কারণে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সাবেক স্পিনার জয়ানন্দ ওয়ার্নাবিরা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন