বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বর্তমানে অন্য কোনো দলে কি একসঙ্গে এমন চার অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দেখা যায়—সে প্রশ্ন উঠতে পারে। বলা হচ্ছে, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহর কথা।

চারজনের সম্মিলিত ওয়ানডে ম্যাচসংখ্যা আফগানিস্তানের এই দলে খেলা সবার ম্যাচসংখ্যার চেয়ে বেশি। কত বেশি? তামিম, সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ মিলে খেলেছেন (এই ম্যাচসহ) মোট ৮৬৫ ম্যাচ। ওদিকে আফগানিস্তান দলের সবাই মিলে খেলেছেন ৫৪১ ম্যাচ। পার্থক্যটা ৩২৪ ম্যাচের!

default-image

কিন্তু ম্যাচে বাংলাদেশের রান তাড়ায় কি এই ‘চতুষ্টয়’ অভিজ্ঞতার পার্থক্যের ছাপ রাখতে পারলেন? একেবারে যে পারেননি তা নয়। ২১৫ রান তাড়ায় বাংলাদেশের জয়ের সুবাস পাওয়ায় তাঁদের সম্মিলিত অবদান ২৯। খটকা লাগলেও এ নিয়ে পড়ে থাকার কিছু নেই। ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা, বাজে দিন যেতেই পারে। তবে এ কথাও সত্য, আজ অন্তত বাংলাদেশের এই চার অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রান তাড়ায় প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি।

২২০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতালব্ধ তামিম ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন। ফজলেহক ফারুকির পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮বার এলবিডব্লু হন তামিম। ২২৮ ম্যাচ খেলায় অভিজ্ঞতাপুষ্ট মুশফিকও ৩ রান করে একইভাবে আউট হন।

default-image

ফারুকির ভেতরে ঢোকানো বল খেলতে পারেননি দুজন। ২১৬ ম্যাচ খেলা সাকিব ১০ রান করে স্টাম্পে বল টেনে আনেন। আর মাহমুদউল্লাহ? ২০১ ম্যাচ খেলে ফেললেও লেগ স্পিনে চিরায়ত দুর্বলতাটুকু কাটিয়ে উঠতে পারেননি। ৮ রান করে রশিদ খানের বলে ক্যাচ দেন।

পরের ম্যাচে এই চার অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের ব্যাট থেকে রানটা পাওনা রইল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন