বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওভারটি সারা জীবন জর্ডানকে তাড়া করে বেড়াবে বলে মনে করেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের ক্রিকেট লিখিয়ে ও উইজডেনের সাবেক সম্পাদক শিল্ড বেরি।

বেরি তাঁর কলামে লিখেছেন, ‘দুঃখজনকভাবে জর্ডানের সঙ্গে ২৩ সংখ্যাটি লম্বা সময় জড়িয়ে থাকবে। এ কারণেই ক্রিকেট নিষ্ঠুরতম খেলা। ৯৯ বা ০ রান করেন অথবা ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করছে, এমন সময়ে আপনি অনেক রান দিলেন, এসব ভুল চিরস্থায়ীভাবে গেঁথে থাকবে—জিমি নিশাম যখন তাকে মারছিল, ইংল্যান্ড তখন এমন অবস্থায়ই ছিল।’

default-image

তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের জন্য ইংল্যান্ডের কোচ ক্রিস সিলভারউড জর্ডানকে দায়ী করতে রাজি নন। জর্ডান নিজের সেরাটাই দিয়েছেন বলে মনে করেন সিলভারউড। যদিও শিল্ড বেরি মনে করেন, চাপের মুহূর্তে এমন পারফরম্যান্স অনেক ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের গতিপথ বেঁধে দেয়।

বেরি উদাহরণ টানেন, ‘চিন্তা কোরো না, এতে তোমার ক্যারিয়ারের গতিপথ ঠিক হয়ে যাবে না—২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে জফরা আর্চার সুপার ওভার শুরুর আগে তাকে চাপমুক্ত রাখতে এ কথা বলেছিলেন বেন স্টোকস। কিন্তু আসলে এসবই গতিপথ ঠিক করে দেয়। সেটা ভুল কিংবা ঠিক হতে পারে। চাপের মুহূর্তে যখন সবাই চোখ রাখছে, তখনকার পারফরম্যান্স গতিপথ ঠিক করে দেয়—সেটা জীবনের না হলেও অন্তত ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে তো বটেই।’

৩ ওভারে ৩১ রানে উইকেটশূন্য ছিলেন জর্ডান। দল না হারলে জর্ডান হয়তো এই বাজে পারফরম্যান্সকে পাত্তা দিতেন না, এমনকি ইংল্যান্ডের সমর্থকেরাও হয়তো ভুলে যেতেন। কিন্তু ওই এক ওভারই কাল হয়ে দাঁড়াল ইংলিশ পেসারের জন্য।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন