বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আক্রমণে আগেই ছিলেন ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ক্যালাম হাডসন-ওডোয়, ট্যামি আব্রাহাম ও অলিভিয়ের জিরু। এর সঙ্গে এমন তিনজন খেলোয়াড় এনে দুর্দান্ত এক আক্রমণভাগই বানিয়ে ফেলেছে চেলসি। কিন্তু দলের এমন আক্রমণভাগই চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে সাবেক চেলসি খেলোয়াড় ও বর্তমান পণ্ডিত ক্রেইগ বারলিকে।

এবারের দলবদলে চেলসি যে শুধু আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়ই নিয়েছে এমন নয়। লেস্টার থেকে লেফট ব্যাক বেন চিলওয়েল এসেছেন, সেন্টারব্যাক হিসেবে এসেছেন তরুণ মালাং সার ও অভিজ্ঞ থিয়াগো সিলভা। সাবেক ব্রাজিল অধিনায়ককেই রক্ষণের নেতা বানাবেন কোচ ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। কিন্তু রক্ষণে সাহায্য খুব বেশি পাবেন না কদিন আগেই পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলা সিলভা। সার তো আবার ধারে চলেই গেছেন। আর চিলওয়েলেরও রক্ষণের চেয়ে আক্রমণেই বেশি নজর।

ইএসপিএনের কাছে এ নিয়ে নিজের দুশ্চিন্তার কথা জানিয়েছেন বারলি, ‘থিয়াগো সিলভার হয়তো অক্সিজেন মাস্ক লাগবে, কারণ দলে শুধু এনগোলো কান্তেরই রক্ষণাত্মক দক্ষতা আছে। ল্যাম্পার্ডের জন্য দলে ভারসাম্য আনার কাজটা খুব কঠিন হব। প্রিমিয়ার লিগে নিজের প্রথম মৌসুমে খুব ভালো করেছে ম্যাসন মাউন্ট, সেও আক্রমণাত্মক খেলোয়াড়। কাই হাভার্ৎজ এ মৌসুমে স্ট্রাইকার হিসেবেই বেশি খেলেছে লেভারকুসেনে। আর এর সামনে যদি আক্রমণের তিনজনকে যোগ করেন (ভেরনার, জিয়েশ ও পুলিসিক)। এর মানে “এনগোলো কান্তে, যা করার তুমি কর।” কারণ দলে আর কেউ রক্ষণে সাহায্য করবে না!’

default-image

ল্যাম্পার্ড দলের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য আনবেন সেটা দেখার অপেক্ষায় বারলি, ‘মাতেও কোভাচিচ কিংবা অন্য কারও সঙ্গে ভারসাম্য আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। রক্ষণের দিক থেকে গত বছর চেলসি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে মৌসুম কাটিয়েছে, অনেক গোল (৫৪ গোল) খেয়েছে। ল্যাম্পার্ড জানে, তাঁর রক্ষণ দৃঢ় করতে হবে, এটা ওদের জন্য খুবই বড় সমস্যা।’

সে যাই হোক, এত দুর্দান্ত আক্রমণ আর ফুটোয় ভরা রক্ষণ নিয়ে নামা এক দলের খেলা যে দেখতে উপভোগ্য হবে, সেটা নিশ্চিত। বারলিও এ মৌসুমের চেলসির খেলা দেখার অপেক্ষায়, ‘চেলসির খেলা দেখতে উপভোগ্য হবে, শুধু আপনি আগে থেকে জানবেন না কোন দিক থেকে (চেলসি গোল দেবে নাকি গোল হজম করবে)!’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন