বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যু-তে গত ৩১ অক্টোবর লিগে আলাভেসের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে প্রথমার্ধে বুকে ব্যথা অনুভব করেন আগুয়েরো। সঙ্গে সঙ্গেই মাঠ ছেড়ে যেতে হয়। হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে, পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় অনেক। বার্সেলোনা আনুষ্ঠানিকভাবে তখন কিছু জানায়নি, কিন্তু স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে আসে আগুয়েরোর অ্যারিথমিয়া বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের সমস্যার কথা।

ক্লাবের পক্ষ থেকে তখন শুধু জানানো হয়, তিন মাস মাঠের বাইরে থাকবেন আগুয়েরো। এই তিন মাসে আরও অনেকবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে তাঁর। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) চিকিৎসকেরাও নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন আগুয়েরোর সঙ্গে। কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই এল দুঃসংবাদ।

default-image

কাতালুনিয়া রাদিও জানাচ্ছে, আগুয়েরোর পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল খুব একটা ভালো আসেনি। তাঁর শারীরিক অবস্থা পেশাদার ফুটবলের ধকল নেওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নেই।

স্প্যানিশ আরেক ক্রীড়া দৈনিক স্পোর্ত জানিয়েছে, তাঁর শরীরের অবস্থার সবকিছুই জানেন আগুয়েরো। তবে এ-ও জানিয়েছে, বার্সেলোনার চিকিৎসকেরা আগুয়েরোর আবার ফুটবলে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নন!

আর্জেন্টাইন দৈনিক টিওয়াইসি স্পোর্ট জানাচ্ছে, প্রথম দফা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ফল দেখে আশাবাদীই ছিল বার্সা ও আগুয়েরো।

প্রথমে অ্যারিথমিয়া ধরা পড়লেও আগুয়েরোকে জানানো হয়েছিল, তিনি তিন মাস ফুটবল খেলতে পারবেন না। পরে চিকিৎসকেরা তাঁকে এই তিন মাসের জন্য যেকোনো শারীরিক ব্যায়াম থেকেও বিরত থাকতে বলেছেন।

তবে স্পোর্ত জানাচ্ছে, বার্সা এখনই আগুয়েরোর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্তে আসছে না। জানুয়ারির শেষ পর্যন্ত আগুয়েরোর জন্য অপেক্ষা করবে বার্সা। এর মধ্যে তাঁর ওপর আরও অনেকবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে, নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে।

তাঁকে ঘিরে চলা এই গুঞ্জনের মধ্যেই টুইটারে নিজের মনোভাব জানিয়েছেন আগুয়েরো। এখনো আশাবাদীই আছেন তিনি, ‘সব গুঞ্জনই দেখেছি। সবাইকে বলছি, আমি ক্লাবের চিকিৎসকদের সব নির্দেশনা মেনে চলছি। নিয়মিত পরীক্ষা চলছে, চিকিৎসা চলছে। ৯০ দিন পর আমার কতটা উন্নতি হয়, সেটা দেখা যাবে। সব সময়ই আশাবাদী আছি আমি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন