বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তিন পয়েন্ট পাওয়ার কথা ছিল না আতলেতিকোর। কিন্তু যে দলে লুইস সুয়ারেজের মতো স্ট্রাইকার আছেন, সে দল হারার আগে হার মেনে নেয় কীভাবে? হেতাফের বিপক্ষে প্রথমে এক গোলে পিছিয়ে থাকলেও শেষ দিকে অভিজ্ঞ উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের দুই গোলে পুরো তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

৪-২-৩-১ ছকে মাঠে নেমেছিল আতলেতিকো। সুয়ারেজের পাশাপাশি আক্রমণভাগে ছিলেন আতোয়ান গ্রিজমান, আনহেল কোরেয়া ও ইয়ানিক কারাসকোর মতো খেলোয়াড়েরা। তাও দুই সার্বিয়ানের ঝলকে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে আতলেতিকো। প্রথমার্ধের শেষদিকে হেতাফের মিডফিল্ডার নিকোলা মাকসিমোভিচের সহায়তায় গোল পেয়ে যান ডিফেন্ডার স্তেফান মিত্রোভিচ।

৭৪ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার কার্লেস আলেনিয়া। বার্সেলোনার সাবেক এই মিডফিল্ডার মাঠ থেকে বিদায় নিয়ে প্রকারান্তরে নিজের সাবেক ক্লাবের ক্ষতিই করলেন যেন। কারণ তাঁর যাওয়ার পরপরই ম্যাচের রাশ টেনে ধরে আতলেতিকো।

মূল একাদশের দুই খেলোয়াড় রাইটব্যাক কিয়েরান ট্রিপিয়ের ও মিডফিল্ডার এক্তর এরেরার জায়গায় কোচ দিয়েগো সিমিওনে বিকল্প হিসেবে মাঠে নামিয়েছিলেন দুই ডিফেন্ডার সিমে ভ্রসালিয়োকো ও মারিও এর্মোসোকে। এই দুই ডিফেন্ডারই শেষমেশ সুয়ারেজকে দিয়ে গোল করানোর পথ খুঁজে পান।

৭৮ মিনিটে মাঝমাঠের বাঁ প্রান্ত থেকে ডিফেন্ডার এর্মোসোর বাঁ পায়ের বাড়ানো বল খুঁজে নেয় ডিবক্সে থাকা লুইস সুয়ারেজকে। বলটা সুন্দরমতো নিয়ন্ত্রণ করে জালে জড়ান এই উরুগুইয়ান। গোলটার পেছনে হেতাফের দায়সারা রক্ষণও দায়ী থাকবে।

যেমনটা দায়ী থাকবে দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও। ৯০ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ান রাইটব্যাক সিমে ভ্রসালিয়োকোর ক্রস খুঁজে নেয় ডিবক্সে ফাঁকা দাঁড়িয়ে থাকা সুয়ারেজকে। জায়গামতো হেড করে বল জালে জড়াতে সমস্যাই হয়নি সাবেক এই বার্সা ফরোয়ার্ডের।

default-image

এই জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এল আতলেতিকো। ছয় ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট তাঁদের। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট এক কম, যদিও তাঁরা খেলেছেও একটা ম্যাচ কম। হাতে থাকে ম্যাচে অন্তত ড্র করলেও পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে আবারও উঠে যাবে রিয়াল।

ওদিকে বার্সেলোনার অবস্থা আরও খারাপ। চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রয়ের সাহায্যে আট পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার সপ্তম অবস্থানে আছে তাঁরা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন