বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে দুর্দান্ত এক গোলে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ডাচ্‌ স্ট্রাইকার মেম্ফিস ডিপাই। কিন্তু জবাব দিতে আলাভেস সময় নিয়েছে মাত্র ৩ মিনিট। ৫২ মিনিটে স্প্যানিশ উইঙ্গার লুইস রিওহার গোলে সমতায় ফেরে আলাভেস। এরপর ম্যাচে আর কোনো গোল হয়নি। ঘরের মাঠে আরও ২ পয়েন্ট হারানোর আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।


কোমান শেষ দিকে এসে যেমন একাদশ নামাতেন, বারহুয়ানও মোটামুটি তেমন এক একাদশই নামিয়েছিলেন। ৪-৩-৩ ছকে রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলেছেন রাইটব্যাক দেস্ত, রাইটব্যাক হিসেবে অস্কার মিঙ্গেসা। মাঝমাঠে সের্হিও বুসকেতসের দুপাশে খেলেছেন দুই তরুণ গাভি ও নিকো গঞ্জালেস। ডিপাইয়ের সঙ্গে দেস্ত ছাড়াও আক্রমণে ছিলেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার সের্হিও আগুয়েরো। বার্সায় যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম মূল একাদশের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন আগুয়েরো। রক্ষণে পিকের সঙ্গে ছিলেন এরিক গার্সিয়া, লেফটব্যাক হিসেবে জর্দি আলবা।

default-image

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে ওঠে বার্সেলোনা। ৪৯ মিনিটে মাঠের বাঁ প্রান্ত থেকে জর্দি আলবার কাছ থেকে পাস নিয়ে মাঠের মাঝখানে চলে আসেন ডিপাই। বক্সের বাইরে থেকেই ডান পায়ের দৃষ্টিনন্দন এক শটে গোল করে এগিয়ে দেন এই ডাচ্‌ স্ট্রাইকার। তবে এই সুখ বেশিক্ষণ টেকেনি।


৫২ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে এসে বার্সেলোনার মাঝমাঠ ও রক্ষণ কাটিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান স্প্যানিশ উইঙ্গার লুইস রিওহা। নিকো গঞ্জালেস, বুসকেতস, দেস্ত, মিঙ্গেসা, পিকে, টের স্টেগেন—সবাইকে কাটিয়ে রিওহা যেভাবে গোল করলেন, খেলা দেখা দর্শকেরা ধন্দে পড়ে গিয়েছিলেন, আলাভেসের জার্সি গায়ে আবার মেসি খেলতে নেমে গেলেন কি না!

default-image

এ ম্যাচেও বার্সেলোনাকে ভুগিয়েছে চোট–সমস্যা। সের্হিও আগুয়েরো ৪০ মিনিট পরেই মাঠ থেকে উঠে গিয়েছেন। তাঁর জায়গায় নামানো হয় ফিলিপ কুতিনিওকে। পিকের জায়গায় নেমেছেন ক্লেমঁ লংলে। গাভির জায়গায় পরে নামানো হয়েছিলে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রিকি পুচকে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি।

ড্র নিয়েই মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। ১১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার ৯ নম্বরে আছে কাতালানরা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন