বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গত ম্যাচে যে ছকে টটেনহামকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ইউনাইটেড, এ ম্যাচেও সেই ৩-৫-২ ছকের ওপরেই ভরসা রেখেছিলেন কোচ উলে গুনার সুলশার। রক্ষণে দুই তারকা রাফায়েল ভারান ও হ্যারি ম্যাগুয়ারের সঙ্গে ছিলেন আইভরি কোস্টের এরিক বাইয়ি। শেষমেশ দুই তারকাকে ছাপিয়ে রক্ষণের দিক দিয়ে বাইয়িই বাঁচিয়েছেন ইউনাইটেডকে। আতালান্তার বেশ কয়েকটা আক্রমণ ঠেকিয়ে রোনালদোর পাশাপাশি দলকে হারের হাত থেকে উদ্ধারের নায়ক এই বাইয়িও।


১২ মিনিটে প্রথমে এগিয়ে যায় আতালান্তাই। ডি-বক্সের ভেতর থেকে ইলিচিচের শটে পরাস্ত হন ইউনাইটেডের স্প্যানিশ গোলকিপার দাভিদ দা হেয়া। তবে যেভাবে দা হেয়ার হাতের নিচ দিয়ে বল জালে জড়িয়েছে, তা দেখে ইউনাইটেডের পাঁড় ভক্তও নিজেদের গোলকিপারকে বিশ্বমানের বলবেন কি না, কে জানে!

প্রথমার্ধের একদম শেষ দিকে দুই পর্তুগিজের ঝলকে সমতায় ফেরে ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্দেজের সহায়তায় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান সেই রোনালদো। ৪৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইউনাইটেড। কিন্তু মেসন গ্রিনউডের শট পোস্টে লাগে। ৫৬ মিনিটে আর্জেন্টাইন সেন্টারব্যাক হোসে লুইস পালোমিনোর পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন দুভান জাপাতা।

ম্যাচের একদম শেষ দিকে এসে আবারও রোনালদোই এগিয়ে আসেন ত্রাতা হয়ে। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ভলিতে দলকে সমতায় ফেরান, কেড়ে নেন ১ পয়েন্ট। এ নিয়ে ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে ১২৭ গোল করা হয়ে গেল রোনালদোর।

default-image

এই গোল করে আরেকটা অসাধারণ রেকর্ড লিওনেল মেসির কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছেন রোনালদো। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে ম্যাচের শেষ দিকের যোগ করা সময়ে এখন সবচেয়ে বেশি গোল তাঁর, ৮টি। আগে এই রেকর্ডটা ছিল মেসির, যাঁর গোল ৭টি।


সাবেক সতীর্থের গোল করার এ অভ্যাস দেখে আবারও মুগ্ধ হয়েছেন ইউনাইটেডের সাবেক সেন্টারব্যাক রিও ফার্ডিনান্ড। ম্যাচ শেষে বিটি স্পোর্টসের অনুষ্ঠানে ফার্ডিনান্ড বলেন, ‘লোকজন বলে রোনালদো খেটে খেলে না। কিন্তু ও ম্যাচের কঠিনতম কাজটাই করে—গোল করা। যেকোনো দেশে, যেকোনো স্টেডিয়ামে, যেকোনো সময়ে ও গোল করে। দলের যখন দরকার হয়, তখনই ওকে পাওয়া যায়।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন