বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে আলবার্টের প্রথম বাংলাদেশ সফরটা ছিল চূড়ান্ত হতাশার। ৩ মে বাংলাদেশের আবাহনী লিমিটেডের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল এএফসি কাপের তৎকালীন রানার্সআপ বেঙ্গালুরু। আবাহনীর দুটি গোলই করেছিল ১০ খেলোয়াড় নিয়ে খেলার শেষ দিকে। ৮০ মিনিটে ডিফেন্ডার নাসিরউদ্দিন চৌধুরী লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর ৮৭ মিনিটে প্রথম গোল করেন সাদ উদ্দিন ও যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোলটি আসে রুবেল মিয়ার পা থেকে। এর আগে প্রথম পর্বে বেঙ্গালুরুতে ২-০ গোলে হেরেছিল আবাহনী।

পরের বছর সেই এএফসি কাপেই বেঙ্গালুরুর কোচ হয়ে ঢাকায় এসে শোধটা ভালোই নিয়েছিলেন আলবার্ট। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল আবাহনীকে। প্রথম পর্বে আবাহনীর হার ১-০ গোলে। তবে ২০১৭ সালের হারের ক্ষতে কতটা প্রলেপ পড়েছিল, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। যেহেতু ২০১৮ সালে ঢাকায় আবাহনীর বিপক্ষে ম্যাচে আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আলবার্ট বলেছিলেন, ‘যে কোনো পরাজয়ই কষ্টের। তবে আবাহনীর কাছে ২-০ গোলে হারটি আমাকে ভীষণ কষ্ট দেয়। ১০ জনের দলের কাছে হেরেছিলাম তো।’ আলবার্ট আবাহনীর যে সার্বিয়ার কোচ দ্রাগো মামিচের কাছে হেরেছিলেন, তিনি এখন বাংলাদেশের সাইফ স্পোর্টিংয়ের কোচ।

এবারই প্রথম বার্সেলোনার কোচিং স্কোয়াডে যোগ দিচ্ছেন না আলবার্ট। ২০০৩ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বার্সেলোনায় ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের সহকারী ছিলেন। তুরস্কের গ্যালাতাসারাইয়েও সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন