বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচ শুরুর আগে বেলা তিনটায় ধানমন্ডিতে আবাহনী ক্লাবের বোর্ড রুমে ফুটবলারদের নিয়ে বসেছিলেন কোচ মারিও লেমোস। গত ১৩ ফেব্রুয়ারির প্রিমিয়ার লিগের সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে শেখ রাসেলের ম্যাচটি নিয়েই কাটাছেঁড়া করেন কোচ। সন্ধ্যায় শুরু হওয়া শেখ রাসেলের বিপক্ষে যেন জয়টা তুলে নিতে পারেন ফুটবলাররা।
কিন্তু সন্ধ্যায় দৃশ্যপট ছিল পুরো উল্টো। বিকেলে যে কোচের মুখে ছিল হাসি, সন্ধ্যায় সেই চেহারায় হতাশার ছায়া। আর আবাহনীর গ্যালারি থেকে পুরোদস্তুর গালি বর্ষণ চলল ক্লাব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে।

করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠে কালই প্রথম ডাগআউটে দাঁড়িয়েছিলেন শেখ রাসেল কোচ সাইফুল বারী। তাঁর উপস্থিতিতে দল যেন নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে। ১৭ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত শেখ রাসেল। নাইজেরিয়ান ওবে মোনেকের শট বারের অল্প ওপর দিয়ে চলে যায়। উল্টো ২৬ মিনিটে গোল করে প্রথম আবাহনীকে এগিয়ে নেন সাদ উদ্দিন। ডান প্রান্ত থেকে মাপা এক ক্রস শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলামের মাথার ওপর দিয়ে বল ঢোকে জালে। লিগে এটা সাদের প্রথম গোল। বিরতির পর গোল শোধে মরিয়া ছিল শেখ রাসেল। ৪৭ মিনিটে বখতিয়ারের ফ্রি–কিক থেকে ওবে মোনেকের হেড ক্রসবারে লেগে ফেরে। আর ৬৩ মিনিটে আবদুল্লাহর ভলি ঠেকিয়ে দেন আবাহনীর গোলরক্ষক শহীদুল আলম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে আর পারেননি এই গোলরক্ষক। ডান প্রান্ত থেকে খালেকুজ্জামানের ফ্রি–কিক, হেডে গোল করেন আশরোরভ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন