বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচ। হতে পারে ঘরের মাঠে খেলছে ব্রাইটন, কিন্তু সেটাই তো ইউনাইটেডের শক্তির জায়গা ছিল। ২০২২ সালে ঘরের মাঠে জয় পায়নি দলটি। পুরো মৌসুমেই এই ম্যাচের আগে ঘরের মাঠে মাত্র তিনটি জয় তাদের। এমন দলের বিপক্ষে যত বাজে সময়ই কাটাক, ইউনাইটেডের জয় পাওয়াটাই তো স্বাভাবিক ঘটনা।

ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য উল্টো আভাস মিলছিল। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে সামনে। তাঁর পেছনে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, অ্যান্থনি এলাঙ্গা ও হুয়ান মাতা। পেছনে নেমানিয়া মাতিচ ও ম্যাকটমিনে। রক্ষণে হ্যারি ম্যাগুয়ারকে বসিয়ে রাফায়েল ভারান ও লিন্ডেলফের জুটি। দুই পাশে দালোত ও তেয়েস দুই ফুলব্যাক। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রাংনিকের পছন্দের গতিময় ফুটবল খেলানোর ইচ্ছা অন্তত ফুটবলারদের মধ্যে ছড়ায়নি। একদিকে ইউনাইটেড খুব ধীরে শুরু করেছে, ওদিকে দ্রুতলয়ের পাসিং ফুটবলে ইউনাইটেডকে ব্যতিব্যস্ত করেছে ব্রাইটন। ১৫ মিনিটেই ফল পেয়েছে। দুর্দান্ত এক স্ট্রাইকে ময়জেস সেইকেদো এগিয়ে দিয়েছেন দলকে।

default-image

প্রথমার্ধে আরও দুবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ব্রাইটন। কিন্তু সে সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। মনে হয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধে এই ভুলের দায় মেটাতে হবে তাদের।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর কিছু অপেক্ষা করছিল ইউনাইটেডের জন্য। এলাঙ্গার বদলি হিসেবে ফ্রেড নেমেছেন। মাতিচকে তুলে আক্রমণে শক্তি বড়াতে নামানো হয়েছে এদিনসন কাভানিকে। ২ মিনিট পরই অবশ্য উল্টো আরেকটি গোল খেয়েছে ইউনাইটেড। ইউনাইটেড রক্ষণের ফাঁক খুঁজে বের করে ব্রাইটনের জার্সিতে প্রথম গোল করেছেন বার্সেলোনার সাবেক লেফটব্যাক কুকুরেয়া। এ গোলে ইউনাইটেডের রক্ষণের দায় যদি কেউ লুকাতেও চান, সেটা আর ঢাকা যায়নি ৫৭ মিনিটে।

এবারও বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ। শুরুটা করেছেন গোলকিপার সানচেজ। তাঁর দূরপাল্লার শট দারুণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কুকুরেয়া দল দিয়েছেন ট্রোসার্ডকে। ট্রোসার্ডকে আটকাতে গিয়েছিলেন লিন্ডেলফ। ট্রোসার্ড সেটা গ্রসকে দিতেই হাল ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন লিন্ডেলফ। ভারানকে একা পেয়ে এক পাশে কাটিয়ে শট গ্রসের, ৩-০। ২ মিনিট পর সেটা ৪-০ হলো।

default-image

এবার ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ। গ্রস ডান প্রান্তে ওয়েলবেককে বল দিয়েছেন। সাবেক ইউনাইটেড উইঙ্গারকে আটকাতে এগিয়ে গিয়েছিলেন দাভিদ দে হেয়া। এক চিপে দা হেয়াকে সমীকরণ থেকে ছিটকে দেন ওয়েলবেক। দালোত গোললাইন থেকে বলটা ফেরালেও সেটা লাগে ট্রোসার্ডের বুকে। সেখান থেকে সোজা জালে। ভিএআর হ্যান্ড বল কি না, সেটা দেখতে চেয়ে কিছুক্ষণ ব্রাইটনের উৎসব স্তিমিত করলেও গোল বলেই আনুষ্ঠানিক রায় দেয়।

৬৫ মিনিটে ৫-০ হতে পারত। ম্যাক অ্যালিস্টার দা হেয়াকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন প্রায়। কিন্তু দালোতের ট্যাকল বলকে পোস্টের দিকে পাঠায়। পোস্টে লেগে বল বাইরে চলে যায়। এর আগে পরে দুটি দুর্দান্ত সেভ করে ব্যবধান কমতে দেননি ব্রাইটন গোলকিপার। ৭২ মিনিটে কাভানি ১ গোল করলেও সেটা অফসাইডে বাতিল হয়। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে আরও ২টি গোল খেতে পারত ইউনাইটেড!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন