বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবাহনীর সবশেষ শিরোপাটাও এসেছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানকে হারিয়ে। ১৯৯০ সালের ২৬ মার্চ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে (তখন শুধু মিরপুর স্টেডিয়াম) মোহামেডানকে ২–১ গোলে হারিয়েছিল আবাহনী। গোল দুটিই করেছিলেন আবাহনীর তারকা স্ট্রাইকার রিজভি করিম রুমি। মোহামেডানের পক্ষে একমাত্র গোলটি ছিল সম্রাট হোসেন এমিলির। সে ম্যাচটি শান্তিপূর্ণ ছিল না। আবাহনীর প্রথম গোলটি নিয়ে মোহামেডানের আপত্তি ছিল। এ নিয়ে স্টেডিয়ামে গোলযোগও হয়েছিল কিছুটা। সেবার আবাহনীর অধিনায়ক ছিলেন বর্তমানের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রূপু।

মোহামেডান অবশ্য পরের বছরই আবাহনীকে ফাইনালে হারিয়ে প্রতিশোধ নিয়েছিল। ১৯৯১ সালের এপ্রিলে স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে মোহামেডান জেতে টাইব্রেকারে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা ১–১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে মোহামেডান জয় পায়। নির্ধারিত সময়ে আবাহনীর পক্ষে গোল করেছিলেন শেখ আসলাম। মোহামেডানের পক্ষে ইমতিয়াজ আহমেদ নকীব।

default-image

৩১ বছর পর আবাহনীর এই স্বাধীনতা কাপ জয় দেশের ঘরোয়া ফুটবলে শক্তির ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করল। গত তিন মৌসুমজুড়ে দেশের ফুটবলে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল বসুন্ধরা কিংসের। ২০১৮ সালের পর ঘরোয়া ফুটবলে প্রথম শিরোপা জিতে সেই আধিপত্যে ভাগ বসাল। গত তিন মৌসুমে অবিসংবাদিত সেরা ক্লাব বসুন্ধরাকে কাল ফাইনালে ৩–০ গোলে হারিয়ে ঘরোয়া ফুটবলে নতুন একটা গল্পেরই কি সূচনা করল আবাহনী লিমিটেড?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন