বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বলা হচ্ছিল লাওতারো মার্তিনেজের কথা। ২০১৮ সালে ইন্টার মিলানে যোগ দিলেও আক্রমণভাগের মূল খেলোয়াড় হওয়ার সৌভাগ্য আগে হয়নি। সে ভূমিকা লুকাকুই পালন করতেন।

মৌসুমের শুরুতে লুকাকু চেলসিতে পাড়ি জমালে ইন্টার মিলানের আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব পড়ে লাওতারোর ওপর। সে দায়িত্ব পালনে যে ত্রুটি রাখছেন না, সেটা পয়েন্ট টেবিলে ইন্টারের অবস্থানেই স্পষ্ট। আরও স্পষ্টভাবে বোঝালেন গত রাতে। লাওতারোর ২ গোলে কোপা ইতালিয়ার সেমিফাইনালে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এসি মিলানকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। অন্য গোলটা জার্মান উইংব্যাক রবিন গোসেনসের। কিন্তু গোসেনসকে ছাপিয়ে নায়ক লাওতারোই। তাঁর কল্যাণে গত রাতে আর্জেন্টাইন সৌরভে ম–ম করেছে মিলান।

default-image

এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১৯ গোল করে ফেলেছেন লাওতারো। গত মৌসুমে লুকাকুর পাশে থেকেও ঠিক এতগুলো গোলই করেছিলেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে আরও বেশ কিছু ম্যাচ বাকি আছে ইন্টারের, নিশ্চিতভাবে গোলের সংখ্যা বাড়বে আরও।

লুকাকু যাওয়ার পর তাঁর ওপর ইন্টারের আস্থা রাখার প্রতিদান যে ভালোভাবেই দিচ্ছেন, লুকাকু ছাড়াও যে দিব্যি কেটে যাচ্ছে লাওতারোর—এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কীই–বা হতে পারে! এই নিয়ে টানা সাত ম্যাচে ৭ গোল করলেন লাওতারো।

default-image

এসি মিলানের বিপক্ষে ডার্বিতে জোড়া গোল, নিঃসন্দেহে অনেক বড় কীর্তি, কিন্তু ব্যক্তিগত অর্জন ছাপিয়ে লাওতারোর কাছে বড় হয়ে উঠল দলগত সাফল্যটাই, ‘আমি খুশি, কারণ আমরা ফাইনালে উঠেছি। সব সময় চেষ্টা করি ইন্টারকে শীর্ষে রাখার জন্য। এই জার্সির জন্য লড়ি সব সময়। সব সময় চেষ্টা করি মাঠে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিতে।’

লাওতারোর এই অর্জন মাঠে বসে উপভোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী-সন্তান। সেটাও উদ্বেলিত করেছে কোপা আমেরিকাজয়ী এই তারকাকে, ‘আমি সব সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হওয়ার চেষ্টা করেছি। আজ আমার মা–বাবা, স্ত্রী-সন্তান সবাই উপস্থিত ছিলেন। এই জোড়া গোল তাঁদের জন্য।’

ফাইনালে হয় জুভেন্টাস, নয় ফিওরেন্তিনার বিপক্ষে লড়বে ইন্টার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন