বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

তবে নজর কেড়েছে আর্জেন্টিনার খেলার ধরন। গোটা ম্যাচে ৬৭৯টি সফল পাস খেলেছে আর্জেন্টিনা। মাঝ মাঠ থেকে পাসের মালা তৈরি করে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন দি পল-মেসিরা। মার্তিনেজ-লো সেলসোরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে গোলের ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত আর্জেন্টিনা। ২৩টি গোলের প্রচেষ্টায় ১০টি শট গোলপোস্টে রাখতে পেরেছে লিওনেল স্কালোনির দল।


দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিজেও বুঝেছেন নিজেদের উন্নতির বিষয়টা, ‘আমরা অসাধারণ একটা ম্যাচ খেলেছি। আমার মনে হয় আমরা খেলার দিক দিয়ে দিন দিন উন্নতি করছি। বল পায়ে রেখে খেলতে আমরা আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হচ্ছি। আজকের ম্যাচটা অনেক কঠিন ছিল, আমাদের জিততেই হতো। সবকিছুই ভালোয় ভালোয় শেষ হয়েছে।'

default-image

তবে উরুগুয়েও যে খুব বেশি খারাপ খেলেছে, তা নয়। স্কোরলাইন দেখে মনে হতেই পারে, আর্জেন্টিনার কাছে রীতিমতো পর্যুদস্ত হয়েছেন সুয়ারেজ-কাভানিরা। কিন্তু আসলে তেমনটা না। গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন তাঁরাও। পাল্লা দিয়ে খেলে একাধিক সুযোগ তৈরি করেছেন, তাও গোল পায়নি।

উরুগুয়ের যে আর্জেন্টিনার মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল, সেটা বোঝা গেছে মেসির কথায়, ‘উরুগুয়ে এমন একটা দল যারা সমস্যার সৃষ্টি করবে। প্রথম গোলটা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা আক্রমণ করার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ ও জায়গা পেতে থাকি। যার কারণে গোলও আসতে থাকে। ম্যাচটা জেতার অনেক দরকার ছিল কারণ আমরা অন্যান্য ম্যাচের ফলাফল জানতাম।’

ম্যাচের ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল পেতে পারত উরুগুয়ে। আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ বারবার উদ্ধার করেছেন আর্জেন্টিনাকে। মেসির মুখে তাই ফুটে উঠেছে মার্তিনেজ প্রশস্তি, ‘দিবু (এমিলিয়ানো) মার্তিনেজ আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ও সব সময় দলের সাহায্যে এগিয়ে আসে। আমাদের গোলকিপার হিসেবে সে নিজেকে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ও বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলকিপার।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন