default-image

বার্সেলোনায় খেলেন সতীর্থ হিসেবে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মেসি-উমতিতি প্রতিপক্ষ। মেসিকে নিয়ে কী ভাবছেন তাঁর বার্সা-সতীর্থ?

লিওনেল মেসি আর স্যামুয়েল উমতিতি একই ক্লাবে খেলেন—বার্সেলোনায়। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে এই দুজন মুখোমুখি নিজ নিজ দেশের হয়ে। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেবেন মেসি, আর তাদের আটকাতে ফ্রান্সের ভরসা উমিতিতি। ফরাসি ডিফেন্ডার মহারণের আগেই জানিয়ে দিলেন, বার্সেলোনার মেসি আর আর্জেন্টিনার মেসি কোনোভাবেই এক নন!

আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স নকআউট ম্যাচে মেসিকে সামলাতে ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম নিশ্চয়ই উমতিতির ওপর বাড়তি ভরসা রাখবেন। কে জানে, দেশম উমতিতিকে পাশে বসিয়েই কৌশল সাজাচ্ছেন কি না! কিন্তু উমতিতি কেবল মেসির দিকেই তাকিয়ে নেই।

তাঁর ভাবনায় আছে আর্জেন্টিনার অন্য খেলোয়াড়েরাও, ‘আমি তাকে প্রতিদিন দেখি। মেসিকে থামানো খুবই কঠিন একটি কাজ। তার রয়েছে অসাধারণ সব গুণ। আমরা তাকে থামানোর চেষ্টা করব কিন্তু সে-ই আর্জেন্টিনার একমাত্র খেলোয়াড় নয়। তাদের আরও স্ট্রাইকার রয়েছে।’

বার্সায় মেসি আক্রমণের সঙ্গী হিসেবে পান সুয়ারেজ, ইনিয়েস্তা, ডেম্বেলে আর কুতিনহোকে। জাতীয় দলে আক্রমণে তার সঙ্গী হিগুয়েইন-মেজারা। হিগুয়েইনের জাতীয় দলের জার্সিতে গত ৮ ম্যাচে কোনো গোল নেই। উমিতিতির মতে পার্থক্য গড়ে দেয় এগুলোই। বার্সেলোনার মেসি এ কারণেই আর্জেন্টিনায় এসে বদলে যান।

default-image

তাঁকে আরও পরিশ্রম করে খেলতে হয়। ফ্রান্সের এই ডিফেন্ডারের মতে, এক মেসি দিয়ে আর্জেন্টিনা আর কী করবে, ‘জাতীয় দলে তার জগৎ ভিন্ন, তাদের খেলার ধরনও ভিন্ন, তবে সে তাদের বেশ কয়েকবার রক্ষা করেছে। আর্জেন্টাইনরা তার ওপর খেপে থাকে, কিন্তু তার একার পক্ষে তো আর সবকিছু করা সম্ভব নয়।’

উমিতিতি বার্সেলোনার রক্ষণ সামলাচ্ছেন দুই বছর ধরে। মেসির সঙ্গে একই দলে খেলে পেয়েছেন অনেক সাফল্য। কিন্তু এবার মেসিকেই আটকাতে হবে শেষ আটে যাওয়ার লক্ষ্যে। আর এতে সঙ্গী হিসেবে উমিতিতি পাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদের রাফায়েল ভারানকে। এই ম্যাচে তাহলে মেসির বিরুদ্ধেই রিয়ালের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন উমিতিতি ! দেখা যাক আর্জেন্টিনাকে কোয়ার্টারে তুলতে এই যুগল–বাধা মেসি কীভাবে পার হন!

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন