বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

৩৮ বছর বয়সী আলভেজ বার্সেলোনা ছেড়ে যান ২০১৬ সালে। ওদিকে পেশাদার ফুটবলের প্রায় পুরো সময়টা বার্সেলোনায় কাটানো জাভি ক্লাব ছেড়েছেন ২০১৫ সালে। আলভেজ ও জাভি সতীর্থ হিসেবে বার্সেলোনার জার্সিতে খেলেছেন প্রায় সাত বছর।

ক্লাব ফুটবলে এমন কোনো শিরোপা নেই, তাঁরা জেতেননি। আবার একসঙ্গে হতে যাচ্ছেন তাঁরা, তবে এবারের গল্পটা একেবারেই ভিন্ন। আলভেজ খেলোয়াড় হিসেবে ফিরলেও কয় দিন আগেই ক্লাবের কোচের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন জাভি।

default-image

আলভেজ বার্সা ছেড়ে জুভেন্টাস, পিএসজি ঘুরে দুই বছর খেলেছেন নিজের দেশের ক্লাব সাও পাওলোতে। কিন্তু বেতন বকেয়া থাকায় চুক্তি বাতিল করে একপ্রকার ক্লাবহীন অবস্থাতেই ছিলেন। বয়স ৩৮ হলেও খেলা ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। ২০১৯ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন দুর্দান্ত। এ বছর তরুণদের নিয়ে ব্রাজিলকে জিতিয়েছেন অলিম্পিক সোনা। পায়ে যখন মরিচা ধরেনি আর বার্সেলোনায় ফেরার ইচ্ছাও যখন আছে, তাই কোনো রকম দলবদলের অঙ্ক ছাড়াই আলভেজকে ফেরাচ্ছে বার্সেলোনা।

বার্সেলোনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘চলতি মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য মূল দলে যোগ দেওয়ার জন্য এফসি বার্সেলোনা ও দানি আলভেজের মধ্যে নীতিগত একটি চুক্তি হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই ক্লাবের অনুশীলনে যোগ দিবেন এই ব্রাজিলিয়ান। তবে জানুয়ারির আগে তাঁর খেলার সুযোগ নেই। বার্সেলোনার খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের দিন তাঁর চুক্তির বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে।’

ডিফেন্ডার হলেও ২০০৮ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত বার্সেলোনার হয়ে ৩৯১টি অফিশিয়াল ম্যাচ খেলে ২৩টি গোল আছে আলভেজের। তবে তাঁকে সময়ের সেরা রাইটব্যাক বানিয়েছে অন্য একটি দিক। বার্সেলোনার জার্সিতে সতীর্থদের দিয়ে ১০১টি গোল করিয়েছেন। মেসির সঙ্গে তাঁর রসায়ন ছিল অনন্য।

বয়স ৩৮ হয়ে গেলেও তাঁর এখনো অনেক দেওয়ার বাকি আছে বলেই হয়তো পুরোনো সৈনিকের দিকে নজর দিয়েছে বার্সেলোনা। এ মৌসুমে লা লিগায় ১২ ম্যাচে মাত্র ১৭ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে বার্সেলোনা। একসময়ে ক্লাবের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় জাভির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে তারা। সে লক্ষ্যেই ৪১ বছর বয়সী জাভি দলে টেনেছেন ৩৮ বছর বয়সী আলভেজকে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন