বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গত বেশ কয়েক মৌসুম ধরেই বাজে সময় কাটাচ্ছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবি। তবে এখনই সম্ভবত ইউনাইটেডকে নিয়ে কথা হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ক্লাবটির সাবেক মিডফিল্ডার পল স্কোলস তো স্পস্ট বলেই দিয়েছেন, ইউনাইটেডের পরিবেশ এখন বিষাক্ত।

স্কোলসের কথাকে সত্য হিসেবে ধরলে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাহলে ‘বিষাক্ত’ পরিবেশের মধ্যে আছেন। সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, রাংনিকের খেলার কৌশলে ইউনাইটেডের খেলোয়াড়েরা খুশি হতে পারছেন না। মৌসুমের শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব পাওয়া এই জার্মান গত সপ্তাহে ইউনাইটেড কোচ হিসেবে প্রথম হার দেখেন।

default-image

এই হারের পর ইউনাইটেড ডিফেন্ডার লুক শ বলেছিলেন, ম্যাচে সবাই ‘ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি।’ তবে রাংনিক আসার পর ইউনাইটেডের অবস্থা যে কিছুটা হলেও ফিরেছে, সেই প্রমাণ দিচ্ছে পরিসংখ্যান। এ পর্যন্ত সাত ম্যাচে চার জয়ের পাশাপাশি মাত্র তিন গোল হজম করেছেন।

লিগ টেবিলে শীর্ষ তিনের মধ্য থেকে মৌসুম শেষ করতে না পারাই রোনালদোর চোখে ব্যর্থতা। ৩৬ বছর বয়সী এ তারকা মনে করেন সঠিক মানসিকতা ছাড়া ইউনাইটেড শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে পারবে না, ‘অসম্ভব—এটাই মূল বিষয়।’ সে জন্য ইউনাইটেডকে একটি বার্তাও দিয়েছেন রোনালদো, যা শুনতে অনেকটাই হুমকির মতো, ‘শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো মানসিকতার দাম নেই আমার কাছে।’

ইংল্যান্ড, স্পেন ও ইতালি—রোনালদো যেখানকার ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছেন, সেখানেই শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন। কিন্তু গত বছরের আগস্টে ইউনাইটেডে ফেরার পর থেকে দলীয়ভাবে সময়টা ভালো কাটছে না রোনালদোর। সংবাদমাধ্যম ‘স্কাই স্পোর্টস’–এর সঙ্গে আলাপচারিতায় মনের কথাটা তাই খুলেই বলেছেন রোনালদো, ‘পঞ্চম, ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম হয়ে মৌসুম শেষ করতে আমি এখানে থাকতে চাই না। আমি এখানে জিততে এসেছি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এসেছি।’ ভালো করতে চাইলে রোনালদো মনে করেন দলের সবার মানসিকতাও পাল্টাতে হবে, ‘আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও নিজেদের সেরা ফর্মে পৌঁছাতে পারিনি। এখনো অনেক পথ বাকি। মানসিকতাটা পাল্টাতে হবে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন