জুভেন্টাস ছেড়ে যাওয়ার সময় ক্লাবটিকে বিদায় জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন রোনালদো। ইংলিশ ক্লাবটিতে ফেরা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিতের পর ইনস্টাগ্রামে রোনালদো লিখেছেন, ‘আমাকে যাঁরা চেনেন, তাঁরা জানেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রতি আমার ভালোবাসা কখনো শেষ হওয়ার নয়। এখানে কাটানো বছরগুলো ছিল দুর্দান্ত, যে পথ আমরা তৈরি করেছি, তা ক্লাবটির ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।’

স্পোর্টিং লিসবন থেকে ২০০৩ সালে ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে ছয় বছর পর রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন রোনালদো। ইউনাইটেডে থাকতেই বিশ্বসেরাদের কাতারে উঠে আসেন। আবারও সেখানে ফেরার অনুভূতিটুকু রোনালদো বুঝিয়েছেন এভাবে, ‘এখন কেমন লাগছে, তা বোঝাতে পারব না। এটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এমনকি ইউনাইটেডের প্রতিপক্ষ হিসেবেও গ্যালারি থেকে ক্লাবটির সমর্থকদের কাছ থেকে ভালোবাসা পেয়েছি।’

রোনালদো আরও লিখেছেন, ‘আমার প্রথম ঘরোয়া লিগ, প্রথম কাপ, পর্তুগাল দলে প্রথম সুযোগ পাওয়া, প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্রথম গোল্ডেন বুট, প্রথম ব্যালন ডি’অর—এ সবকিছুই এই বিশেষ ক্লাবে পেয়েছি। অতীতে ইতিহাস গড়েছি আমরা একসঙ্গে, ভবিষ্যতেও গড়ব, কথা দিলাম। এই তো আমি! যে জায়গাটা আমার, সেখানে ফিরেছি! চলো, আবারও একসঙ্গে অভিযানে নামি। বি.দ্র. স্যার অ্যালেক্স, এ সবকিছুই আপনার জন্য।’

স্পোর্টিং থেকে রোনালদোকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এনেছিলেন ক্লাবটির কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। রোনালদোকে এখনো খুব স্নেহ করেন ফার্গি। তাঁর হাত ধরেই এই ক্লাবের হয়ে ব্যালন ডি’আর এবং ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন রোনালদো। জিতেছেন তিনটি লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ।

১ কোটি ৫০ লাখ ইউরোয় জুভেন্টাস থেকে রোনালদোকে কিনেছে ইউনাইটেড। শর্তসাপেক্ষে আরও ৮০ লাখ ইউরো দেওয়ার কথা রয়েছে ক্লাবটির।

চুক্তির পর সংবাদমাধ্যমকে রোনালদো বলেন, ‘আমার হৃদয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জন্য সব সময়ই বিশেষ জায়গা ছিল। শুক্রবার (রোনালদোর ইউনাইটেডে ফেরা) ঘোষণার শুভেচ্ছাবার্তায় ভেসে গিয়েছি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে দর্শকদের সামনে খেলতে আর তর সইছে না। আন্তর্জাতিক দায়িত্ব শেষে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন