বিজ্ঞাপন
default-image

ফাইনালে ইতালিই ভালো খেলেছিল। কিন্তু ১২০ মিনিট শেষেও দুই দল ছিল ১-১ সমতায়। তাই শিরোপার মীমাংসা পেনাল্টি শুটআউটেই করতে হয়েছে। সেখানে ইতালির হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন আন্দ্রেয়া বেলোত্তি ও জর্জিনিও। ওদিকে ইংল্যান্ডের পক্ষে সে ভুল করেছেন মার্কাস রাশফোর্ড, জাডোন সাঞ্চো ও বুকায়ো সাকা। ৩-২ ব্যবধানে জিতে ট্রফি নিয়ে এখন রোমে উল্লাস করতে ব্যস্ত ইতালি দল।

default-image

কিন্তু ইংলিশ সমর্থকেরা এখনো হার মানতে পারছেন না। ম্যাচের শেষ পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি সাকা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে তাঁকে ঘিরে এক ঘটনা নিয়েই পিটিশন দাঁড় করিয়েছেন ভক্তরা। ৯৫ মিনিটের পর বল নিয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে ছুটে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন সাকা। ইতালি অধিনায়ক জর্জো কিয়েল্লিনি তাঁকে একেবারে টেনে মাটিতে ফেলে দেন, যাতে শেষ মুহূর্তের আক্রমণে ইতালি গোল খেয়ে না বসে।

এ ঘটনায় কিয়েল্লিনিকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছিল। দলের হারের তুলনায় সেটা কিছু না বলে মেনে নিয়েছেন জুভেন্টাস ডিফেন্ডার। নিয়মানুযায়ী সে ঘটনায় লাল কার্ড দেখানো সম্ভবও না। কিন্তু ইংলিশ সমর্থকদের চোখে সেটা লাল কার্ড দেখানোর মতো ঘটনা। চেঞ্জডটঅর্গে পিটিশনের জন্ম দেওয়া শ্যারন গিলমানের ধারণা, এ ঘটনায় লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল কিয়েল্লিনিকে। আর তাহলেই অতিরিক্ত সময়ে বাড়তি একজনকে নিয়ে খেলার সুবিধা পেত ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে ঠিক এমন সুবিধা কাজে লাগিয়েছিল স্বাগতিক দল।

default-image

পিটিশন সৃষ্টির কারণ হিসেবে গিলমান লিখেছেন, ‘এত ধাক্কা, টানাহেঁচড়া, লাথি মারার পরও ইতালিকে জিততে দেওয়া হলো? অবশ্যই রেফারি পক্ষপাতিত্ব করেছেন। যেভাবে খেলেছে, ইতালিকে অবশ্যই লাল কার্ড দেখানো উচিত ছিল। পুনরায় এ ম্যাচ কোনো নিরপেক্ষ রেফারির অধীনে খেলানো দরকার। এ ফল একেবারেই ন্যায্য না।’

পিটিশনের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৭৫ হাজার সাক্ষর। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেটা ছাপিয়ে ৯১ হাজার সমর্থক এতে সই করেছেন। নতুন লক্ষ্য হিসেবে দেড় লাখ স্বাক্ষর বেছে নেওয়া হয়েছে। এমন আরও বেশ কয়েকটি পিটিশন জন্ম নিয়েছে অনলাইনে। তবে সেগুলোর বেশির ভাগই গুরুত্ব পায়নি। অন্য একটিতে সর্বোচ্চ দেড় হাজারের মতো স্বাক্ষর পড়েছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন