বিজ্ঞাপন
default-image

১০ মিনিট পরে ১৯৬৩ সালের কোপা ইতালিয়া জেতার পর আর কোনো বড় শিরোপা না জেতা আতালান্তার একমাত্র গোলটি করেন মালিনিকোভস্কি। হান্স হাটেবোয়েরের পাস থেকে দারুণ এক গোল করেন ইউক্রেনিয়ান মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধে গোল হয়েছে এই দুটিই।

৭৩ মিনিটে জুভকে জয়সূচক গোলটি এনে দেন কিয়েসা। কুলুসেভস্কির পাস থেকে অসাধারণ এক গোল করেন ইতালিয়ান উইঙ্গার। এই মৌসুমে নিজের ১৩তম গোল করার মিনিটখানেক পরেই অবশ্য কিয়েসা চলে যান মাঠের বাইরে। তাঁকে উঠিয়ে পাওলো দিবালাকে নামান জুভ কোচ পিরলো।

default-image

শেষ বাঁশি বাজার পর বাধভাঙা উল্লাসে মাতেন জুভেন্টাসের খেলোয়াড়েরা। জুভের জয়ের অন্যতম নায়ক কিয়েসা রাই স্পোর্তকে বলেন করোনায় হাসতে ভুলে যাওয়াদের মুখে একটু হাসি ফিরিয়ে আনতে পারাটাই তাঁদের বড় পাওনা, ‘সবার জন্যই দারুণ ব্যাপার। বিশেষ করে গত কয়েক মাসে যারা কষ্টে ছিলেন। আমরা খেলোয়াড়েরা তো সুরক্ষিতই ছিলাম কিন্তু কত মানুষকে কষ্ট করতে হয়েছে, এখনো করতে হচ্ছে।’

ম্যাচের প্রথম সুযোগটা পেয়েছিল আতালান্তাই। প্রথম ৫ মিনিটের মধ্যেরই দুবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল দলটি। বিরতির পর অবশ্য আতালান্তার তেমন সুবিধা করতে পারেনি। রোনালদোর ব্যাকহিল থেকে পাওয়া বলটাকে কিয়েসা পোস্টে না লাগালে ব্যবধানটা আরও বড় করতে পারত জুভ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন