বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

টিইউডিএনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে স্টইচকভ বলেন, ‘আমরা এক কিংবদন্তিকে মুছে দিচ্ছি। বার্সেলোনার ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়কে পেছনে লাথি মেরে তাঁকে বের করে দিচ্ছি আমরা। ওর নাম, ওর ক্যারিশমা, ওর কীর্তিতে কালিমা মেখে দিচ্ছি।’

মেসি ও বার্সার এমন বিচ্ছেদের মুখে আসার পেছনে দূর্নীতিপরায়ণ বোর্ডকেই দায়ী করেছেন স্টইচকভ, ‘আমিও বোর্ডের একজন সদস্য, তাই আমি আমাদের শব্দটা উচ্চারণ করছি। এই বোর্ড সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে। মনে হচ্ছে, ওরা যেন ইচ্ছে করে ক্লাবের প্রতিপক্ষ হিসেবে ভক্তদের দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে।’

ক্লাবের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বার্সা বোর্ডের এমন বিমাতাসুলভ আচরণ করার ইতিহাস আজকের নয়। খোদ স্টইচকভই ক্লাব থেকে বিদায় নিয়েছিলেন অপ্রীতিকর অবস্থায়। এখন মেসির সঙ্গে এমন কিছু হতে দেখে স্টইচকভের সব ক্ষোভ বোর্ডের ওপর, ‘আমি ক্লাবের হয়ে পরপর লিগ শিরোপা জিতেছি, ক্লাবের ইতিহাসের প্রথম ইউরোপিয়ান কাপটাও জিতেছি, আমি আসলেই জানিনা সমর্থকদের ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করব। এই বোর্ড নিজেদের চেহারা দেখায় না। পোষা সাংবাদিকদের দিয়ে আগুনে ঘি ঢালে। ক্লাব হিসেবে এমন পরিস্থিতি দেখা লজ্জাজনক।’

যুগ যুগ ধরে বার্সার বোর্ড এমন কেন করে, মাথায় ঢোকে না তাঁর, ‘আমি বুঝি না, আমরা যারা খেলোয়াড় হিসেবে বার্সেলোনার হয়ে ইতিহাস গড়েছি, তাঁদের কেন সব সময় এভাবে পেছনের দরজা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। ওরা মনে করে আমরা ওদের যন্ত্রণা দেব, ওদের সভাপতিত্ব কেড়ে নেব বা অমন কিছু করব। আমি আসলেই জানি না ওদের মাথায় কী চলে।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন