বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

চ্যাম্পিয়নস লিগে গতকাল রাতে ঘরের মাঠে শাখতারের মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল। আগের পর্বে শাখতারের মাঠ থেকে ৫-০ গোলে জিতে এসেছিল রিয়াল। ফলে, গতকাল বেশ আগ্রহ নিয়েই বার্নাব্যুতে গিয়েছিলেন রিয়াল–সমর্থকেরা। দলের খেলা অবশ্য হতাশ করেছে তাঁদের। ১৪ মিনিটেই প্রতিপক্ষের ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পরও।

ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের ভুলে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তাঁকে আটকাতে গোলরক্ষক ও একমাত্র ডিফেন্ডার এগিয়ে গিয়েছিলেন। ঠান্ডা মাথায় ফাঁকায় দাঁড়ানো বেনজেমাকে বল পাঠিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস। চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের ১০০০তম গোলের সঙ্গে নাম জড়াল ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ডের।

default-image

গোলের পরই রিয়াল কেন যেন খোলসে ঢুকে পড়েছিল। নিজেদের মাঠে এমন খেলা দেখে বিরক্ত হয়ে খেলোয়াড়দের দুয়ো দেওয়া শুরু করেন সমর্থকেরা। এ নিয়ে অবশ্য কোচ আনচেলত্তির কোনো ক্ষোভ নেই, ‘দুয়োর কারণ বুঝতে পারছি কারণ, এই আবহের কথা আমি জানি। এই স্টেডিয়াম সব সময় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে বাড়তি কিছু চায়। আমরা দুই অর্ধেই শুরুটা ভালো করেছি, পরে চুপসে গেছি। আমরা যথেষ্ট আগ্রাসী ছিলাম। এটা হতেই পারে এবং সমর্থকদের এভাবে দুয়ো দিয়ে আমাদের জাগানোর ব্যাপারটা তো ভালো।’

default-image

দুয়োতেও অবশ্য কাল কাজ হচ্ছিল না। একবার পোস্ট বাঁচিয়ে দিয়েছিল রিয়ালকে। ৩৯ মিনিটে রক্ষণের ভুল রিয়ালকে আর বাঁচতে দেয়নি। বক্সের বাইরে থেকে একটি ক্রস বুঝতেই পারেননি মিলিতাও। ওদিকে অ্যালান প্যাট্রিককে দেখে রাখতে গিয়ে ফার্নান্দোকে খেয়াল করতে পারেননি ডেভিড আলাবা। প্যাট্রিক ক্রসটা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বলটা পাঠিয়ে দিয়েছেন ফার্নান্দোর কাছে। জোরালো সে শট ঠেকানো সম্ভব হয়নি থিবো কোর্তোয়ার পক্ষে।

পরের মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত শাখতার। কিন্তু রিয়ালকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন কোর্তোয়া। ৬১ মিনিটে রিয়ালকে স্বস্তি এনে দিয়েছেন বেনজেমা। দারুণ গোছানো ফুটবলে ভিনিসিয়ুস খুঁজে নেন বেনজেমাকে। বেনজেমার দুর্দান্ত এক শটে হাঁপ ছেড়ে বেচেছে রিয়াল।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন