বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিটি স্পনসরড পোস্টের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ আয় করেন রোনালদো। পণ্যের দূতিয়ালি বাবদ তাঁর প্রতি পোস্ট থেকে আয়ের অঙ্কটা ১৬ লাখ ডলার (বাংলাদেশি টাকায় ১৩ কোটি ৫৭ লাখ)। এই অঙ্ক দিয়ে ইনস্টাগ্রামে তারকাদের মধ্যে আয়ে শীর্ষে উঠে এসেছেন জুভেন্টাসের এই পর্তুগিজ তারকা। এই সপ্তাহে পঞ্চমবারের মতো বার্ষিক এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ইউরোয় কিছুদিন আগে সংবাদ সম্মেলনে টেবিল থেকে কোকাকোলার বোতল সরিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায় বড় লোকসান ডেকে আনেন রোনালদো। মাত্র আধঘণ্টার মধ্যে কোকাকোলার ব্র্যান্ড মূল্য ৪০০ কোটি ডলার কমে যায়। এর অন্যতম কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদোর বিশাল অনুসারীসংখ্যা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি অনেক বড় প্রভাবক। তাঁর নতুন পোস্টের অপেক্ষায় থাকেন অনেকেই।

ইনস্টাগ্রাম থেকে সর্বোচ্চ আয়ের এই বার্ষিক তালিকায় প্রথমবারের মতো শীর্ষে উঠে এলেন ৩৬ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেমা, টিভি ও সংগীত জগতের তারকারা এখানে শীর্ষস্থানে আধিপত্য ধরে রেখেছেন। রোনালদোর প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি এই তালিকায় সপ্তম—পোস্টপ্রতি তাঁর আয় ১২ লাখ ডলার।

জরিপ অনুযায়ী, পণ্যের দূতিয়ালি করে প্রতি পোস্ট বাবদ রোনালদোর আয় গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। তৃতীয়স্থান থেকে শীর্ষে উঠে এসেছেন রোনালদো। এর আগে শীর্ষে থাকা সাবেক রেসলার ও হলিউড তারকা ডোয়াইন ‘দ্য রক’ জনসন নেমে গেছেন দুইয়ে।

দ্বিতীয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও মডেল কাইল জেনার নেমে গেছেন চারে এবং তিনে উঠে এসেছেন সংগীতশিল্পী আরিয়ানা গ্রান্দে। তালিকায় ক্রিকেটারদের মধ্যে সবার ওপরে বিরাট কোহলি। ভারত অধিনায়ক আছেন ১৯ নম্বরে। ক্রীড়া তারকাদের মধ্যে কোহলি আছেন চারে। রোনালদো ও তাঁর মাঝে আছেন লিওনেল মেসি (৭ম) ও নেইমার (১৬তম)।

রোনালদো ইনস্টাগ্রাম থেকে প্রতিবছর আনুমানিক ৪ কোটি ডলার আয় করেন। জুভেন্টাসে তিনি যে বেতন পান, অঙ্কটা তার চেয়েও বেশি। জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে তাঁর পোস্টপ্রতি আয়ের অঙ্কও বেড়েছে। করোনা মহামারিতে রোনালদোর জনপ্রিয়তা লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। গত বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রোনালদোর অনুসারীসংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ১২ কোটি। ২০১৭ সালে তাঁর অনুসারীসংখ্যা ছিলেন ১০ কোটি—সে বছরই প্রথমবারের মতো ইনস্টাগ্রামে এই ‘ধনীর তালিকা’ করা হয়।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন