বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রিন্স আলী বিন আল-হুসেইন গত রোববার একটি চিঠি টুইট করেন। সে চিঠিতে তিনি জোহরে কুদাইয়ির ‘লিঙ্গ পরীক্ষা’র অনুরোধ করেন। এর পাশাপাশি তিনি এএফসিকে ‘সজাগ হওয়ার’ আহ্বানও জানান।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জোহরে কুদাইয়ি পুরুষ হয়ে নারীর ছদ্মবেশে খেলেছেন—এমনটাই মনে করছে জেএফএ।

এদিকে ইরান নারী দলের নির্বাচক মরিয়ম ইরানদুশত অভিযোগটি উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘জাতীয় দলের সব খেলোয়াড়কে খুব ভালোভাবে পরীক্ষা করেছে মেডিকেল দল। এমন সমস্যা এড়াতে হরমোন পরীক্ষাও করা হয়েছে। তাই সমর্থকদের বলছি, এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।’

ইরানের খেলাধুলাবিষয়ক সংবাদের সাইট ‘ভারজেসথ্রি’-তে এ কথা বলেন ইরানদুশত। ‘এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এ বিষয়ে কাগজপত্র চাইলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা সরবরাহ করা হবে’—এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

৫ নভেম্বর জর্ডান ফুটবল ফেডারেশনের (জেএফএ) চিঠিতে এ গোলকিপারের ‘খেলার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন’ তোলা হয়। চিঠিতে আরও বলা হয়, ইরান নারী দল নিয়ে অতীতেও ‘লিঙ্গ ও ডোপ বিতর্ক’ হয়েছে।

default-image

চিঠিতে ‘যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার’ অনুরোধ করা হয় এএফসির প্রতি। ইরানদুশতের দাবি, নিজেদের হারের দায় এড়াতে এই মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে জর্ডান, ‘ইরান নারী দলের বিপক্ষে এ হার মেনে নিতে পারছে না বলেই জর্ডান এমন অভিযোগ তুলেছে। চূড়ান্ত পর্বে উঠতে নিজেদের ফেবারিট ভেবেছিল জর্ডান নারী দল। এখন তাই মিথ্যা অভিযোগ তুলে হারের দায় এড়ানোর চেষ্টা করাটা অস্বাভাবিক কিছু না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন