ইউক্রেনে রাশিয়া সামরিক হামলা চালানোর পর গত ফেব্রুয়ারিতে উয়েফা জানিয়েছিল ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত’ রাশিয়াকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বহিষ্কার করা হলো। পরে মে মাসের শুরুতে নিজেদের আরেক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয় ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক এই সংস্থা।

আগামী মৌসুমে উয়েফা আয়োজিত কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে না রাশিয়ার ক্লাব। অর্থাৎ ২০২২-২৩ মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ, ইউরোপা লিগ বা কনফারেন্স লিগে রাশিয়ার কোনো ক্লাবকে দেখা যাবে না।

default-image

এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা নিয়ে জেনিতের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘উয়েফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলে জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গকে সমর্থন দিয়েছে দিনামো মস্কো, এফসি সোচি ও সিএসকেএ মস্কো। এই আপিল দ্রুত এবং দক্ষতার সঙ্গে মূল্যায়নের অনুরোধ জানানো হচ্ছে সিএএসকে।’কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস—সংক্ষেপে সিএএস, ক্রীড়াক্ষেত্রে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির চূড়ান্ত জায়গা। সুইজারল্যান্ডের লুসানে সিএএসের সদর দপ্তর অবস্থিত।

সিএসকে মস্কোর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অভিযোগটি দ্রুত এবং ভালোভাবে পর্যালোচনার অনুরোধ করেছে সব ক্লাব।’ সিএসকেএ ‘ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলতে চায় এবং সে লক্ষ্যে নিজেদের লিগে সম্ভাব্য সেরা অবস্থানে যেতে শেষ পর্যন্ত লড়বে।’

উয়েফা রাশিয়ার ক্লাবগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়ার পর স্পার্তাক মস্কোর সঙ্গে কিট স্পনসরশিপ চুক্তি বাতিল করে ক্রীড়া সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নাইকি।

স্পার্তাকসহ আপিল করা চারটি দলই খেলে রাশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তর রাশিয়ান প্রিমিয়ার লিগে। জেনিত এ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সিএএসের কাছ থেকে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য পায়নি।

উয়েফার টুর্নামেন্ট থেকে রাশিয়ান ক্লাবগুলোকে নিষিদ্ধ করায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি সম্ভবত হচ্ছে জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গের। এই মৌসুমে লিগ জেতায় আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার কথা ছিল জেনিতের, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা খেলতে পারবে না। তাদের জায়গায় স্কটিশ প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন দল খেলবে ইউরোপের ক্লাব শ্রেষ্ঠত্বসূচক এই টুর্নামেন্টে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন