default-image
এএফসি কাপের রাউন্ডের ফিরতি পর্বের ম্যাচে আগামীকাল মাজিয়া স্পোর্টসের বিপক্ষে মাঠে নামবে আবাহনী লিমিটেড। প্রথম পর্বের ম্যাচটি মলটেন বলে খেলা হলেও আগামীকাল খেলতে হবে অ্যাডিডাস বলে।


ঘরোয়া ফুটবলে ভারতের তৈরি কসকো বলে খেলে অভ্যস্ত ফুটবলাররা। কিন্তু এএফসি কাপের প্রাথমিক রাউন্ডের ম্যাচে তাদের খেলতে হয়েছে মলটেন-ব্র্যান্ডের বলে। ম্যাচের আগে মলটেন বলে অনুশীলন করে কিছুটা অভ্যস্ত হওয়া গিয়েছিল। কিন্তু মালেতে ফিরতি পর্বে আবারও বলের ব্র্যান্ড পরিবর্তনের চক্করে পড়তে হচ্ছে আবাহনীকে। এবার তাদের খেলতে হবে অ্যাডিডাস বলে। বল নিয়ে তাই রীতিমতো বিভ্রান্ত এএফসি কাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা।

অ্যাডিডাস বলটা প্রতিপক্ষ মালদ্বীপের মাজিয়া ক্লাবের পছন্দ। তবে ফিফার আইন অনুযায়ী, তাদের স্বীকৃত যেকোনো বলেই এএফসি কাপের খেলা চালানো সম্ভব। মলটেন যেমন ফিফা-স্বীকৃত, ঠিক তেমনি অ্যাডিডাসও। পরেরটি বরং মলটেনের চেয়েও ভালো ব্র্যান্ডের বল। কিন্তু অভ্যস্ত হওয়ার ব্যাপারটি একটা বড় সমস্যা।
সমস্যার কথা বলেছেন আবাহনী কোচ মারিও লেমোস। তবে তিনি বলছেন মানিয়ে নেওয়ার কথাই, ‘ঢাকায় মলটেন বলে খেলেছি। কিন্তু মালেতে ফিরতি পর্বের ম্যাচে অ্যাডিডাস বলে খেলা হবে। মলটেনের চেয়ে অ্যাডিডাস বলের মান ভালো হলেও অভ্যস্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। এখানে আসার পর অ্যাডিডাস বলে অনুশীলন করে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করছি।’

গত মৌসুমে এএফসি কাপের সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছিল আবাহনী। কিন্তু লিগ রানার্সআপ হিসেবে এবার তাদের খেলতে হচ্ছে প্রাথমিক রাউন্ডে। আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে আগামীকাল মালেতে ফিরতি পর্বের ম্যাচটি জিততেই হবে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের। যদি ম্যাচটি গোলশূন্য বা ১-১ ব্যবধানে ড্র হয় তাহলে অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে প্লে-অফে খেলবে মাজিয়া। আর ২-২ গোলে ড্র হলে দুই দলের পয়েন্ট ও গোলগড় সমান হবে। সে ক্ষেত্রে ম্যাচটি নিষ্পত্তি হবে সরাসরি টাইব্রেকারে। তবে ৩-৩ গোলে ড্র হলে আবাহনী সুযোগ পাবে প্লে-অফে খেলার। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথম পর্বের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। এত হিসাব মাথায় না নিয়ে আবাহনীর লক্ষ্য থাকবে খেলাটা জেতা আর মাজিয়াকে গোল করতে না দেওয়া।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন