বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফাইনালে উঠতে আগামীকাল শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ড্র হলেই চলবে বাংলাদেশের। সবাই চেষ্টা করলে শ্রীলঙ্কা-বাধা পেরোনো সম্ভব জানিয়ে হৃদয় বলেন, ‘প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের প্রথম একাদশে জায়গা পেয়ে খুব ভালো লাগছে। যদিও একটু নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু টিমমেট, কোচিং স্টাফসহ সবাই উৎসাহ দিয়েছেন।’

তরুণ হৃদয় থেকে শুরু করে অভিজ্ঞ জামাল-তপুরা এখন বেশ উজ্জীবিত। তবে তাঁদের আসল কাজটা শেষ হয়নি। টুর্নামেন্টে গত ম্যাচেই প্রথমবার সেরা একাদশে খেলা ডিফেন্ডার রহমত মিয়া যেমন বলছেন, ‘শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের শতভাগের চেয়ে বেশি দিতে হবে।’ কেন শতভাগ দেওয়া দরকার, সেই ব্যাখাও দিয়েছেন রহমত, ‘সেশেলসের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে আমাদের দলটা একটু ক্লান্ত ছিল। কলম্বোর রেসকোর্স মাঠ অনেক ভারী। বালি দিয়ে করা এই মাঠে পা টেনে ধরে। তাই প্রথম ম্যাচে আমাদের টিমটা জমাট ছিল না।’

default-image

রহমতের চোখে এ জন্য ক্লান্তিই দায়ী। বলছেন, ‘সেশেলসের সঙ্গে ড্রয়ের পর আমরা সবাই বসে ঠিক করি, মালদ্বীপ ম্যাচে এই মাঠে শতভাগের চেয়ে বেশি দিতে হবে। সেই অনুযায়ী চেষ্টা করে আমরা ফল পেয়েছি। এভাবে খেলেই আমরা ফাইনালে উঠতে চাই।’

কিন্তু আগামীকাল শ্রীলঙ্কা ঘরের মাঠে খেলার সুবিধা পাবে বাংলাদেশের বিপক্ষে। তবে প্রতিপক্ষকে সুযোগ না দিলে জেতা সম্ভব মনে করেন রহমত।

মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশ দলের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল জানিয়ে তাঁর সংযোজন, ‘ওরা বল পায়ে বেশ ভালো। তাই আমরা ঠিক করি, ওদের ব্লক করে আক্রমণে যাব। সেটা বাস্তবায়ন করে আমরা জিতেছি ২-১ গোলে। জয়টা খুব দরকার ছিল। কারণ, এসব টুর্নামেন্টে পয়েন্ট হারানো কষ্টের। পয়েন্ট হারালে এক দল আরেক দলের ওপরে চলে যায়।’

প্রথম ম্যাচে সেশেলসের সঙ্গে ড্রয়ের পর টিম ম্যানেজমেন্টে সবাই খেলোয়াড়দের সমর্থন দিয়েছেন জানিয়েছেন রহমত, ‘আমরা সবাই অনুপ্রাণিত ছিলাম মাঠে ভালো কিছু করতে।’

default-image

জমে ওঠা শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষে চার জাতি টুর্নামেন্টে চার দলের সমানেই রয়েছে ফাইনালে ওঠার সুযোগ। মালদ্বীপের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পর স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলস। ২ ম্যাচে বাংলাদেশ ও সেশেলসের পয়েন্ট এখন ৪। শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপের ১ পয়েন্ট। আগামীকাল বিকেলে সেশেলস-মালদ্বীপ ও রাতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা লড়াই।

শেষ দিনের জন্যই কী তাহলে সব নাটক জমা রইল? বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ নাটকীয় কিছু চান না। বলছেন, ‘এমন একটা পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে টুর্নামেন্টটা, যেখানে চার দলের সামনেই সুযোগ এখনো উন্মুক্ত। তবে আমরা জিতেই ফাইনালে উঠতে চাইব। অন্য কোনো সমীকরণ ভাবছি না। ১৮ বছর পর মালদ্বীপকে হারিয়ে বাংলাদেশ দল উৎফুল্ল হয়ে আছে। তবে শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগে অতি উচ্ছ্বসিত হতে বারণ করা হয়েছে ফুটবলারদের।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন