বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গোল না পেলেও এমবাপ্পের অন্তত একটা স্বস্তি কাজ করতে আজ। মেসি–নেইমার না পারলেও অন্তত একটা গোলে সহযোগিতা করেছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ১৫ মিনিটেই আক্রমণভাগের বাঁ প্রান্ত থেকে এমবাপ্পের ক্রসে গোল করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আন্দের এরেরা।

নতুন কোচ মরিসিও পচেত্তিনোর অধীনে নিজেকে যেন নতুন করে ফিরে পেয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের সাবেক এই মিডফিল্ডার। বেশ গোল পাচ্ছেন তিনি। এই মৌসুমে এর মধ্যেই এরেরার গোল হয়ে গেল চারটি।

গোল খেয়ে ভড়কে যায়নি ব্রুজেস। উল্টো পিএসজির রক্ষণভাগে একের পর এক ত্রাস ছড়িয়েছে তারা। ইউক্রেনিয়ান লেফটব্যাক এদুয়ার্দ সোবোলের সহায়তায় ম্যাচের ২৭ মিনিটেই দলকে সমতায় ফেরান ব্রুজেসের অধিনায়ক, বেলজিয়ান মিডফিল্ডার হান্স ভানাকেন।

default-image

গোল করার পরও বেশ কয়েকটা সুযোগ পেয়েছিল ব্রুজেস। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ওদিকে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন পিএসজির কোস্টারিকান গোলকিপার কেয়লর নাভাস। গোটা ম্যাচে ছয়-ছয়টা সেভ করেছেন এই গোলকিপার। এর একটা-দুটোয় হাত ফসকে গেলে আজ পিএসজির কপালে দুঃখই ছিল!

তবে মেসি যে একদমই বাজে খেলেছেন, বলা যাবে না। চ্যাম্পিয়নস লিগে আজ নিজের ১৫০তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন এই তারকা। একবার পোস্টেও মেরেছেন, কিন্তু আরাধ্য গোলটা আসেনি। ব্রুজেসের প্রেসিংয়ের সামনে বেশ অসহায় মনে হচ্ছিল পিএসজিকে।

মেসি নিজেও দ্বিতীয়ার্ধে হলুদ কার্ড দেখেছেন একটা, ওদিকে ৫১ মিনিট পর এমবাপ্পেকে তুলে নেন কোচ পচেত্তিনো। সে হিসাবে পিএসজির বিখ্যাত এই ত্রয়ী মাঠে একসঙ্গে ছিলেন ৫১ মিনিট।

দুর্দান্ত এই আক্রমণভাগ নিয়েও ব্রুজেসের গোলে মাত্র নয়টি শট মেরেছেন মেসি-নেইমাররা, যার চারটি ছিল লক্ষ্যে। ওদিকে ব্রুজেস শট মেরেছে ১৫টি, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। বলা যেতেই পারে, সমানে পিএসজিকে টেক্কা দিয়ে গেছে দলটা! সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার, যে ম্যাচে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে খেলেছেন, সে ম্যাচে ম্যাচসেরা হয়েছেন ব্রুজেসের আনকোরা ডাচ্‌ উইঙ্গার নোয়া লাং!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন