২০১১ থেকে ২০২০—এ সময়ের মধ্যে বেচাকেনা হওয়া খেলোয়াড়দের মোট দাম ৪৮.৫ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪ লাখ ১৩ হাজার ১৮ কোটি টাকা)। রুবেন দিয়াস ও কেভিন ডি ব্রুইনার মতো তারকাদের এ সময়ে কিনেছে সিটি।

প্রতি মৌসুমেই দলবদলের বাজারে প্রচুর অর্থ খরচ করে তারা। এসব কারণে ফিফার এ তালিকায় ম্যান সিটির শীর্ষে থাকাটা মোটেও অস্বাভাবিক কিছু নয়। মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ২২৫ খেলোয়াড় বেচাকেনা হয়েছে এই এক দশকে। এর মধ্যে বিদেশি ক্লাবে ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের যোগ দেওয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি (১৫ হাজার ১২৮ জন)। এরপর রয়েছে আর্জেন্টাইন (৭ হাজার ৪৪৪ জন), ব্রিটিশ (৫ হাজার ৫২৩ জন), ফরাসি (৫ হাজার ২৭ জন) ও কলম্বিয়ান খেলোয়াড় (৪ হাজার ২৮৭ জন)।

এই এক দশকে খেলোয়াড় কেনার খরচে সিটির পরই রয়েছে আরেক ইংলিশ ক্লাব চেলসি। সিটি এ সময় ১৩০ খেলোয়াড় কিনেছে, চেলসি কিনেছে ৯৫ জনকে। ৭৫ খেলোয়াড় কিনেছে বার্সা। এ সময় খরচে ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসির পর যথাক্রমে বাকি তিন ক্লাব—বার্সেলোনা, পিএসজি ও রিয়াল মাদ্রিদ। পিএসজি এ সময় ৫৯ খেলোয়াড় কিনেছে, ৫৫ খেলোয়াড় কিনেছে রিয়াল মাদ্রিদ।

তালিকায় শীর্ষ ৩০ ক্লাবের মধ্যে ১২টি ইংল্যান্ডের। এই ১২টি ক্লাব মিলে এক দশকে খেলোয়াড় কেনায় খরচ করেছে ১২.৪ বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৬ কোটি টাকা)। এরপর যথাক্রমে স্পেন (৬.৭ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (৫.৬ বিলিয়ন ডলার), জার্মানি (৪.৪ বিলিয়ন ডলার) ও ফ্রান্স (৪ বিলিয়ন ডলার)।

এই এক দশকে সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছে নেইমারের। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে প্রায় ২৬ কোটি ২০ লাখ ডলারে কেনে পিএসজি।

default-image

ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের পেছনে এই এক দশকে সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে ক্লাবগুলো—৭ হাজার ৭০ মিলিয়ন ডলার। ফরাসি ফুটবলারদের পেছনে খরচ হয়েছে ৪ হাজার ৪৯৬ মিলিয়ন ডলার। এ তালিকায় তিনে স্প্যানিশ (৩ হাজার ৬৮৭ মিলিয়ন ডলার) ও আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা (৩ হাজার ২০৫ মিলিয়ন ডলার)।

খরচে শীর্ষ জায়গা করে নেওয়া ইউরোপের বাইরের একমাত্র দেশ চীন। চাইনিজ সুপার লিগে বড় বড় তারকা কিনতে এই এক দশকে ১.৭ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে দেশটির ক্লাবগুলো।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন