কাতালানরা এখনো মেসির ওপর নির্ভর করে অনেক।
কাতালানরা এখনো মেসির ওপর নির্ভর করে অনেক।ছবি : রয়টার্স

ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন মেসি। বার্সেলোনায় হাজারো অনিয়ম দেখে আর মন টিকছিল না তাঁর। বেশি দিন বাকি নেই ক্যারিয়ারে, যে কটা দিন আছে, ব্যর্থতার গ্লানি বইতে চান না, জিততে চান শিরোপা। শেষমেশ চুক্তির ফাঁকফোকর দেখিয়ে মেসিকে বার্সেলোনা আটকিয়ে রাখতে না পারলে আজ হয়তো ম্যানচেস্টার সিটি কিংবা পিএসজির জার্সি গায়ে দেখা যেত আর্জেন্টাইন তারকাকে।

ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন, তারকার বয়সও বাড়ছে, ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করবেন কি না তা নিয়ে এখনো রয়েছে ধোঁয়াশা। এমন অবস্থায় অন্যান্য ক্লাব সে তারকাকে বাদ দিয়ে আস্তে আস্তে ভবিষ্যতের চিন্তা করা শুরু করে। কিন্তু বার্সেলোনা কি পারছে মেসি-পরবর্তী জীবনের জন্য আগে থেকে প্রস্তুত হতে? সম্প্রতি প্রকাশিত এক তালিকার তথ্য অনুযায়ী অবশ্য সে কথা মনে হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে যে খেলোয়াড়েরা সবচেয়ে বেশিক্ষণ খেলেছেন, সে তালিকার তিন নম্বরে আছেন মেসি। তিনি খেলেছেন ৪ হাজার ২৯৩ মিনিট। মেসির ওপরের দুজন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলেন—ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হ্যারি ম্যাগুয়ার (৪৭৪৫ মিনিট) ও ম্যানচেস্টার সিটির রুবেন দিয়াস (৪৩৪৪ মিনিট)। অর্থাৎ স্প্যানিশ লিগ, জার্মান বুন্দেসলিগা, ফ্রেঞ্চ লিগ আঁ, পর্তুগিজ লিগ—এই চার লিগে খেলা যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে মেসি বেশিক্ষণ সময় মাঠে কাটিয়েছেন। কাতালানরা যে এখনো মেসির ওপর কতটা নির্ভর করে, এ তথ্যেই তা প্রমাণিত।

default-image

তালিকার শীর্ষ দশে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আধিপত্য। ইউনাইটেডের মূল একাদশে নিয়মিত অধিনায়ক ম্যাগুয়ার, পর্তুগিজ মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেস, সুইডিশ ডিফেন্ডার ভিক্টর লিন্ডেলফকে দেখা যায় দেখেই কি না, এই তালিকায় তাঁরা আছেন। ৪ হাজার ১৬৪ মিনিট খেলে ব্রুনোর অবস্থান চার নম্বরে, তাঁর চেয়ে ২২ মিনিট কম খেলে লিন্ডেলফ আছেন সাতে। লিন্ডেলফের চেয়ে দুই মিনিট বেশি খেলা ইউনাইটেডের সাবেক স্ট্রাইকার ও বর্তমানে ইন্টার মিলানে খেলা রোমেলু লুকাকু আছেন ষষ্ঠ অবস্থানে।

আটে আছেন ৪ হাজার ১২৩ মিনিট খেলা রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারান। তাঁর পরেই সেভিয়ার স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হেসুস নাভাস। তালিকার বাকি দুটি নাম অবশ্য একটু অপরিচিত ঠেকতে পারে—সিয়ারা এসসির ব্রুনো পাচেকো (পঞ্চম) ও সেল্টিকের ক্যালাম ম্যাকগ্রেগর (দশম)।

বার্সেলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদের অন্য কোনো খেলোয়াড় এই তালিকার সেরা দশে জায়গা পাননি।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন