default-image

বার্সেলোনার টাকাপয়সার সমস্যা বেশ অনেক দিনেরই। দেনার অঙ্কটা দিন দিন বেড়েই চলেছে তাদের। বেড়ে চলা দেনার মাত্রা সামলাতে না পেরে সাবেক সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউ দায়িত্ব ছেড়েছেন। অবস্থা এখন এমন যে নতুন খেলোয়াড় কেনাই সমস্যা তাদের।

বার্সেলোনার মতো ক্লাব পছন্দের খেলোয়াড় কিনতে অপেক্ষায় আছে তাদের চুক্তি শেষ হওয়ার, যাতে ‘ফ্রি’তে তাদের আনা যায়। এমনই আর্থিক দৈন্য বার্সার। তারা এখন অপেক্ষায় ম্যানচেস্টার সিটির এরিক গার্সিয়া, লিভারপুলের জর্জিনিও ভাইনালডম কিংবা লিওঁর মেম্ফিস ডিপাইয়ের চুক্তি শেষ হওয়ার।

বার্সেলোনার আর্থিক সমস্যা কতটা, সেটি জানা গেছে ক্লাবের সদ্য প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে। দেখা গেছে, ক্লাবের মোট দায়ের পরিমাণ বিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে। ১ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মোট দায়ের মধ্যে শুধু স্বল্পমেয়াদি দায়ের মাত্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকার মতো (৭৩ কোটি ইউরো)। এই ৭৩ কোটি ইউরোর মধ্যে সাড়ে ২৬ কোটি ইউরো দেনা হয়েছে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দায়বদ্ধ ও বিনিময়যোগ্য সিকিউরিটি বাবদ। খেলোয়াড় কেনা বাবদ ১৬ কোটি ইউরো আর অন্যান্য ধারদেনা ৩০ কোটি ইউরো।

default-image
বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাসের কারণে এমনিতেই ইউরোপের অন্যান্য ক্লাবের মতো বার্সেলোনাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে পাওনাদারদের যত দেরি করে বকেয়া অর্থ পরিশোধ করা যায়, সেই চেষ্টাই করছে তারা। অন্তত আগামী জুন পর্যন্ত এই দেনা যেন না দিতে হয়, সেটি নিয়েই চলছে দরবার। তবে এতে পাওয়নাদারেরা রাজি হবে কি না, সেটা একটা প্রশ্ন। কেউ কেউ তো বার্সেলোনার এমন প্রস্তাবে কানই দিতে চাইছে না। কিন্তু ন্যু ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনার সেটি ছাড়া উপায় নেই।

প্রাপ্য টাকা বুঝে না পাওয়াও বার্সেলোনার জন্য বড় সমস্যা। সেটির পরিমাণ ৫ কোটি ৬০ লাখ ইউরো। আপাতত সেই টাকা হাতে পেলেও দায়দেনার একটা অংশ মেটাতে পারে ক্লাবটি।

এ অবস্থায় ভালো খেলোয়াড় কেনার পরিকল্পনাগুলো পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই দুনিয়ার অন্যতম সেরা এই ক্লাবের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন