বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ মুহূর্তে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ইতালি উড়ছে। টানা ৩১ ম্যাচ অপরাজিত থেকে তারা পেছনে ফেলেছে নিজেদের ৮৩ বছর আগের রেকর্ড। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে পর্তুগালের কাছে হারের পর ‘পরাজয়’ যেন ভুলেই গেছে তারা। কিন্তু এত কিছুর পরও এ রেকর্ড সন্দেহবাতিক ফুটবলপ্রেমীদের পুরোপুরি নিশ্চিত হতে দিচ্ছে না যে, ইউরোতে তারাই সেরা দল। কারণ তুরস্ক, সুইজারল্যান্ড, ওয়েলস আর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করা ইতালির যে সত্যিকারের পরীক্ষাই হয়নি।

যে দলে লুকাকু, কেভিন ডি ব্রুইনা, এডেন হ্যাজার্ড, টোবি অল্ডারভাইরেল্ড, ইয়ানিক ফেইরা-কারাসকো, থরগান হ্যাজার্ড, এক্সেল উইতসেল, দ্রিস মের্তেন্সদের মতো ফুটবলার আছেন, তাঁরা ইতালির কঠিন পরীক্ষা তো নেবেনই। ফিফা তালিকায় বিশ্বের এক নম্বর দল বেলজিয়াম। শুক্রবার সে কারণে ফুটবলপ্রিয়দের জন্য দারুণ একটা রাতই অপেক্ষা করে আছে।

default-image

ইতালির রক্ষণসেরা জিওভান্নি ডি লরেঞ্জো এখন অপেক্ষায় বেলজিয়াম-পরীক্ষার। উয়েফা ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লরেঞ্জোর মনোযোগটা আবার রোমেলু লুকাকুর দিকেই, ‘আমি লুকাকুর খেলা খুব ভালো করেই জানি। কারণ সিরি ‘আ’তে গেল কয়েকবারই আমি লুকাকুর মুখোমুখি হয়েছি। সে দুর্দান্ত একজন স্ট্রাইকার। ইন্টারের হয়ে সে এ মৌসুমে দুর্দান্ত খেলেছে।’

নাপোলির এ ডিফেন্ডার অবশ্য কেবল লুকাকুর দিকেই মনোযোগ রাখতে চাচ্ছেন না, ‘তাঁকে অবশ্যই মাঠে পাহারায় রাখতে হবে। তবে এটা ঠিক বেলজিয়াম লুকাকুর বাইরেও দুর্দান্ত একটা দল। শুক্রবার দারুণ একটা ম্যাচই হতে যাচ্ছে।’

default-image

তবে প্রতিপক্ষের ব্যাপারে লরেঞ্জোর ভাবনা খুবই পরিষ্কার—ইউরোর শিরোপা জিততে হলে বড় প্রতিপক্ষ, কঠিন প্রতিপক্ষ, সবাইকে হারিয়েই জিততে হবে, ‘এসব নিয়ে ভেবে লাভ নেই। যত ওপরের দিকে যাবেন, প্রতিপক্ষ তত কঠিন হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম-পরীক্ষা আমাদের সামনে, এতে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। প্রতিপক্ষ যে-ই হোক, আমাদের কাজটা একই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন