বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রিয়াদের গোলের উৎস হয়েও প্রথম আলোর ‘মেসি’ সেলিম জাহিদ আশ্চর্য নীরব। এই প্রতিবেদক প্রতিক্রিয়া জানতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের আপ্রাণ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি নাকি এরই মধ্যে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন পরের ম্যাচের জন্য। দলকে চূড়ান্ত সাফল্যের দিকে নিয়ে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য।

প্রথম ম্যাচে অনিবার্য কারণে মাঠে যেতে পারেননি দলের কোচ, প্রথম আলোর বাণিজ্য বিভাগের সম্পাদক সুজয় মহাজন। তিনি অবশ্য সেদিন দাবি করেছিলেন সশরীরে দলের সঙ্গে থাকতে না পারলেও ‘ভার্চ্যুয়ালি’ তিনি দলকে দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। আজ অবশ্য মাঠেই ছিলেন সুজয়। তিনি এ জয়ে খুশি। কেবলই ‘খুশি’? উচ্ছ্বসিত নন? এ প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে তাঁর মন্তব্য, ‘কোচ হিসেবে দলকে আরও বড় সাফল্য এনে দিতে চাই আমি। পরপর দুটি জয়ে আমি আনন্দিত, তবে উচ্ছ্বসিত নই। আমাদের আরও কাজ বাকি। দলের সবাইকে মাটিতে পা রাখতে বলব আমি। রিয়াদুল করিম, সেলিম জাহিদ, আসাদুজ্জামান, আরিফুর রহমান, শফিক কলিম, সানাউল্লাহ সাকিব, মোস্তফা মানিক, নুরুল আমিন—সবাই দারুণ খেলেছে। তবে ওদের কাছ থেকে আমি আরও ভালো খেলা দেখতে চাই।’

default-image

ম্যানেজার, প্রথম আলোর কূটনৈতিক প্রতিবেদক রাহীদ এজাজও কোচ সুজয় মহাজনের সঙ্গে একমত, ‘এখনো আনন্দে উদ্বেলিত হওয়ার সময় আসেনি। আমাদের লক্ষ্য আরও বড় সাফল্য।’

দলের অধিনায়ক আরিফুর রহমান গোলবারে আজও ছিলেন দারুণ। তিনি বাংলাভিশন দলের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা ‘চীনের প্রাচীর’ হয়ে ফিরিয়ে দেন। তিনি ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, ‘দলকে শিরোপা জিতিয়েই ফিরতে চাই।’

তিনি আরও বড় সাফল্যের জন্য প্রথম আলো পরিবারের সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

প্রথম আলোকে এ মুহূর্তে হাতছানি দিচ্ছে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল। কাল গ্রুপের শেষ ম্যাচে আরটিভিকে হারাতে পারলেই শেষ আট নিশ্চিত হবে দলের।

প্রথম আলো কি পারবে?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন