সাইফ স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে লড়াই করে পারেনি উত্তর বারিধারা। বারিধারার রক্ষণে সাইফ স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের একটি মুহূর্ত
সাইফ স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে লড়াই করে পারেনি উত্তর বারিধারা। বারিধারার রক্ষণে সাইফ স্পোর্টিংয়ের আক্রমণের একটি মুহূর্তছবি: প্রথম আলো

প্রিমিয়ার লিগে টানা পাঁচ ম্যাচে ড্র করেছিল উত্তর বারিধারা। চট্টগ্রাম আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডির মতো বড় দলও তাদের কাছে এসে পয়েন্ট হারিয়েছে। আজ সেই ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বের হয়ে এসেছে বারিধারা।

কিন্তু সেই বের হয়ে আসা হার দিয়ে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে তারা।

এক গোলে পিছিয়ে পড়ে পাল্টা ২ গোল দিয়ে জিতেছে সাইফ। বদলি নেমে ম্যাচের শেষের দিকে জয়সূচক গোলটি করেন সাজ্জাদ হোসেন।

টানা দুই ম্যাচ হারের পর জয়ে ফিরল সাইফ। এই জয়ে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে সাইফ। সমান ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে একাদশ স্থানে বারিধারা।

চলতি মৌসুমে গোলরক্ষক সমস্যায় ভুগছে সাইফ। প্রায় প্রতি ম্যাচেই গোলরক্ষকের ভুলে গোল খেতে দেখা যাচ্ছে তাদের। এরই মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় গোলরক্ষকের পরীক্ষা শেষ।

আজ প্রথমবারের মতো খেলানো হয়েছে তরুণ গোলরক্ষক শান্ত কুমারকে। তেমন পরীক্ষা না দিতে হলেও ম্যাচের শেষের দিকে ভালো একটি সেভ দিয়ে দলকে বাঁচিয়েছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ফেডারেশন কাপের রানার্সআপরা। কিন্তু ২০ মিনিটে একটি বাজে গোল হজম করে তারা।

বক্সের ডান প্রান্ত থেকে আরিফ হোসেনের বাম পায়ের শট সাইফ ডিফেন্ডারের পা ছুঁয়ে জালে জড়িয়ে যায়। এর পরে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি করপোরেট দলটিকে।

তাদের দুই উইঙ্গার আরিফুর রহমান ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের গতির কাছে বারবার পরাস্ত হয়েছেন বারিধারার ডিফেন্ডাররা। নাইজেরিয়ার জন ওকোলি ও ইকেচুকু কেনেথও দেখিয়েছেন ব্যক্তিগত ঝলক।

default-image

২৭ মিনিটে আরিফুরের শট বাম দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন বারিধারা গোলরক্ষক মিতুল মারমা। ৫ মিনিট পর ফাহিমের শট সাইড পোস্ট ঘেঁষে বাইরে। ৩৬ মিনিটে সাইফের বাধা ক্রসবার।

সিরোজিউদ্দিন রাখমাতুল্লায়েভের কর্নারে জন ওকোলির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৪৪ মিনিটে বারিধারার গোলের খাতা খোলেন নাইজেরিয়ার মিডফিল্ডার ওকোলিই।

লেফটব্যাক ইয়াসিন আরাফাতের থ্রু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সে ঢুকে প্রথমে বারিধারার মিসরীয় সেন্টারব্যাক আবদেল রহিমকে বুটের তলা দিয়ে ঘোল খাইয়েছেন।

এরপর গোলরক্ষককে আউটসাইড ডজে ফেলে দিয়ে ডান পায়ের শটে গোলটি করেছেন ওকোলি। লিগে এটি তাঁর পঞ্চম গোল।

সমতায় ফিরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রিমন হোসেনকে তুলে নামানো হয় শাহেদুল আলমকে। স্পষ্টত শাহেদুলকে মাঠে নামানোর উদ্দেশ্য আক্রমণের গতি বাড়ানো।

default-image

সেটি বাড়লেও অ্যাটাকিং থার্ডে গিয়ে খাবি খেয়েছে সাইফ। ৭৬ মিনিটে ফাহিমের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সাজ্জাদ। ৪ মিনিট পরেই পেয়েছিলেন গোল করার সুযোগ।

সিরোজিউদ্দিনের ক্রসে গোলমুখ থেকে পা লাগানোর কাজটি করতে পারেননি তিনি। ৮৮ মিনিটে জয়সূচক গোলটি তাঁরই। রহিম উদ্দিনের ক্রসে ডাইভিং হেডে বল জালে পাঠান। লিগে এটি তাঁর দ্বিতীয় গোল।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন