ভাগ্যবিপর্যয়ের শুরুটা হয়েছিল আগে থেকেই। ম্যাচের ৯ মিনিট বাকি থাকতে ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার পরও শেষদিকে দুই গোল খাওয়া তো ভাগ্যবিপর্যয়ই। তবে সুইজারল্যান্ডের কৃতিত্বকে খাটো করার কিছু নেই, সেদিন তারা যোগ্য দল হিসেবেই ফ্রান্সকে টপকে পৌঁছে গেছে কোয়ার্টারের লড়াইয়ে।

default-image

৩-১ গোলে এগিয়ে থাকা ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়েই ফ্রান্সকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিল সুইসরা। টাইব্রেকারে প্রথম ৯টি শটের সব কটিতে গোল হওয়ার পর শেষটি নিতে এসেছিলেন এমবাপ্পে। তাঁর শটটি ঠেকিয়ে দিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের গোলকিপার ইয়ান সমার।

ফ্রান্স কোচ এমবাপ্পের এ মিস নিয়ে কথা বলারই কিছু দেখছেন না, ‘ড্রেসিংরুমের সবাই ঐক্যবদ্ধই আছে। কেউই কারও ভুল নিয়ে কথা বলেনি। কিলিয়ানও তার দায়িত্বটা জানে।’

default-image

এমবাপ্পে কেমন খেলোয়াড়, সেটি সবাই জানে। দেশম এ ফরাসি তারকার অতীতের সাফল্য, দলে তাঁর অবদানগুলো মনে করিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। সেই সঙ্গে নিজেদের দলের শক্তিমত্তাও, ‘আমি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই স্কোয়াডের শক্তিমত্তা জানি। এদিনও আমরা দারুণ কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছি। হেরে যাওয়াটা কষ্টের। তবে সেটি মেনে নেওয়া ছাড়া আমাদের উপায় নেই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন