বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের ফ্রেন্ডস অ্যারেনায় ‘এ’ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচে এ দুটো ঘটা ছাড়া তেমন বলার মতো কিছুই হয়নি। নিজেদের প্রতিভার প্রতি তেমন সুবিচার করতে পারেননি দুই দলের কেউই। ম্যাচের ৪১ মিনিটে এক রকম নিজের চেষ্টায় জয়সূচক গোলটি করেন এমবাপ্পে। বাঁ দিক দিয়ে বল পায়ে ডি-বক্সে ঢুকে সুইডেনের দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে দুরূহ কোণ থেকে জাল খুঁজে নেন পিএসজি তারকা।

ম্যাচে গ্রিজমান-এমবাপ্পেদের আক্রমণ-সঙ্গী হিসেবে প্রথম দিকে খেলেছেন চেলসির স্ট্রাইকার অলিভিয়ের জিরু, পরে খেলেছেন অ্যান্থনি মার্সিয়াল। কেউ তেমন নজরকাড়া খেলা দিতে পারেননি। যোগ করা সময়ে মার্সিয়াল ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হন, পেনাল্টি পায় সফরকারীরা। কিন্তু স্পট কিকে ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন বার্সেলোনা তারকা গ্রিজমান। ক্লাবের ছন্নছাড়া অবস্থা কী তাঁর মনোযোগেও প্রভাব ফেলেছে? হয়তো!

default-image

২০১৬ ইউরোতে আইসল্যান্ডের কাছে শেষ ১৬-তে হেরে বিদায় নিয়েছিল ইংল্যান্ড। সে স্মৃতি গত রাতে ফিরে আসছিল আরেকটু হলে। পেনাল্টিতে গোল করে সে হতাশার হাত থেকে ইংলিশদের বাঁচিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির উইঙ্গার রহিম স্টার্লিং। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের জয়টা ১-০ গোলের।

ম্যাচের শেষদিকে যে শুধু ইংল্যান্ডই পেনাল্টি পেয়েছিল, তা কিন্তু নয়। ভাগ্য সহায় হয়েছিল আইসল্যান্ডের দিকেও। কিন্তু ফ্রান্সের ম্যাচে গ্রিজমানের মতো আইসল্যান্ডের মিডফিল্ডার বিরকির বিয়ারনাসনও মিস করেন পেনাল্টি।

default-image

গত নভেম্বরের পর প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে দুই দল। শুরু থেকেই বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড; কিন্তু স্টার্লিং, জাডন সানচো, হ্যারি কেইনদের নিয়ে গড়া আক্রমণভাগ ছিল ধারহীন। আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগে তেমন ভয় ধরাতে পারছিলেন না কেউই। উল্টো ৭০ মিনিটে লাল কার্ড দেখে রাইটব্যাক কাইল ওয়াকার মাঠ ছাড়লে পরাজয়ের শঙ্কা জেঁকে ধরে ইংল্যান্ডকে। শেষে আইসল্যান্ডের ডিফেন্ডার সভেরির ইঙ্গি ইঙ্গাসন ডি-বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছেড়ে 'শোধবোধ' করে দেন। কষ্টের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

ওদিকে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে অস্ট্রিয়া। হারলেও জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রথম গোল পেয়েছেন ডর্টমুন্ডের স্ট্রাইকার আর্লিং হরলান্ড।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন