গ্রুপ পর্বে শুধু মালয়েশিয়ার সঙ্গে হার। এরপর টানা দুই ম্যাচ জিতে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ থেকেই একাদশ অপরিবর্তিত রেখেছেন লোডভিক ডি ক্রুইফ। এই ১১ জনই বাংলাদেশকে দেখাচ্ছেন শিরোপা-স্বপ্ন। সোনারগাঁও হোটেলের লবিতে বসে কাল এই ফুটবল সেনানীরা শোনালেন ফাইনাল নিয়ে তাঁদের আকাঙ্ক্ষার কথা

রায়হান (ডিফেন্ডার): আমরা পাঁচ ডিফেন্ডার মাঠে নামার আগে একটা কথাই বলি, ‘ডিফেন্ডাররা গোল খাব না, অ্যাটাকাররা গোল করবে।’ ১৭ কোটি মানুষ তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে। ভালো খেলে দেশবাসীকে ট্রফি উপহার দিতে চাই।

ইয়াসিন (ডিফেন্ডার): গত ডিসেম্বরে ভুটানে কিংস কাপের ফাইনালে আমিই গোল করে শেখ জামাল ধানমন্ডিকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলাম। সেটা ছিল ক্লাব ফুটবল। এবার দেশের হয়ে কিছু করার ইচ্ছা আছে। সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই গোল করব।

নাসির (ডিফেন্ডার):  ফাইনালেও আমার গোলে দল জিতুক, এটাই আমার একমাত্র চাওয়া। প্রথম পর্বে এই মালয়েশিয়ার কাছে হারলেও এবার ওদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হতে চাই। দেশবাসীকে উপহার দিতে চাই একটা স্মরণীয় ফাইনাল।

জামাল (মিডফিল্ডার): যখন মাঠে ঢুকি, তখন চারদিকে শুধু বাংলাদেশের পতাকাই দেখি। ডেনমার্কে থাকি বলে আমার জন্য লাল-সবুজ বড় আবেগের জায়গা। এই পতাকা সবার ওপরে তুলে ধরতে আর একটা মাত্র জয় চাইছি আমি।

জাহিদ (ফরোয়ার্ড): ক্যারিয়ারের সেরা ম্যাচটা খেলতে চাই মালয়েশিয়ার সঙ্গে। যেভাবেই হোক জিততে হবে এই ম্যাচ। দেশের মাটিতে খেলছি, সেমিফাইনালে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছি। এবার দলকে চ্যাম্পিয়ন করে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হতে চাই।

মামুনুল (মিডফিল্ডার): দেশের স্বাধীনতার জন্য যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের কথা স্মরণ করে আমরা এই ম্যাচ খেলব। শহীদদের জন্যই আমাদের ফাইনালটা জিততে হবে।

হেমন্ত (মিডফিল্ডার): প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে হেরেছিলাম। আমার এখন একটাই কথা, ওদের হারিয়ে প্রতিশোধ নিয়ে শিরোপাটা রেখে দেব।

সোহেল রানা (মিডফিল্ডার): গত আগস্টে নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচে গোল পেয়েছিলাম। সেদিনের সেই আনন্দ আজও ভুলতে পারিনি। ফাইনালেও হিরো হতে চাই। সেই আনন্দের স্বাদটা আবারও খুব পেতে ইচ্ছা করছে।

ইয়ামিন (ডিফেন্ডার): সেমিফাইনালে গ্যালারি উপচে পড়েছিল দর্শকে। যত বেশি দর্শক তত বেশি ভালো খেলব আমরা। আমাদের তখন মনে হয়, যেন মাঠে বারোজন খেলছি। দর্শকদের হতাশ করতে মোটেও ইচ্ছা করছে না।

এমিলি (স্ট্রাইকার): এ রকম টুর্নামেন্টের ফাইনালে আবার কবে বাংলাদেশ খেলবে, নিজেরাই জানি না। ক্যারিয়ার শেষে এসব অর্জনই আমাদের সঙ্গী হবে। এখন কিছু না করতে পারলে এমন সুযোগ আর কখনোই আসবে না। আমরা এ সুযোগ হাতছাড়া করতে চাই না।

শহীদুল আলম সোহেল (গোলরক্ষক): পুরো ম্যাচে যথাসম্ভব মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে চাই। কোনো রকম ভুলের সুযোগ দেব না আমি। যেভাবেই হোক ইনশা আল্লাহ চ্যাম্পিয়নের ট্রফিটা আমরাই রেখে দেব।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন