বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সর্বশেষ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগে রানার্সআপ হয়ে চমক দেখিয়েছিল শেখ জামাল। সে দলের মূল তারকা স্ট্রাইকার পা ওমর জোবে ও সেন্টারব্যাক রেজাউল করিম ছাড়া প্রায় বাকি দলটিকে ধরে রাখতে পেরেছে তারা। জায়গা পূরণ করতে নেওয়া হয়েছে সেন্টারব্যাক ইয়াছিন খান ও ফরোয়ার্ড চিনেদু ম্যাথিউকে। নাইজেরিয়ান ম্যাথিউ এখনো দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় দলের বাইরে আরেক বিদেশি ফরোয়ার্ড সুলাইমান সিল্লাহ।

এ ছাড়া নিজের সার্ভিসেস দলের হয়ে খেলার জন্য পাওয়া যায়নি রাইটব্যাক রায়হান হাসান ও লেফটব্যাক শাকিল আহমেদকে। টাকা নিয়েও মোহামেডান স্পোর্টিং লিমিটেডে যোগ না দেওয়ার অভিযোগে খেলাতে পারেননি ডিফেন্ডার মোহাম্মদ আতিকুজ্জামানও। এত ‘নেই’–এর মধ্যেও বড় জয় নিয়ে বাংলাদেশ মিশন শুরু করতে কষ্ট হয়নি স্প্যানিশ কোচ হুয়ান ম্যানুয়েল মার্তিনেজের।

default-image

বিদেশি ওতাবেক–সলোমনরা পরীক্ষিত। আজ তাঁদের সঙ্গে আলো ছড়ালেন নবাগত কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশের মিডফিল্ডার রাহবার ওয়াহেদ খান। এই বছর মার্চে জেমি ডের অধীনে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া রাহবার আজ প্রথমবারের মতো পেশাদার ফুটবলে পা ফেললেন। ২৬ বছর বয়সী আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার পায়ের কাজ দেখিয়েছেন আজ। একটি গোল করিয়েছেন, আরেকটি গোলেও আছে তাঁর পরোক্ষ অবদান।

বিকেএসপির তরুণদের নিয়ে গড়া বিমানবাহিনী। দলটির বড় নাম শুধু জাতীয় দলের স্ট্রাইকার সুমন রেজা। এবার বসুন্ধরা কিংসে নাম লেখালেও নিজ সার্ভিসেস দলের হয়ে খেলছেন টুর্নামেন্টটি। সুমনকে একা ওপরে রেখে পুরো দলটির লক্ষ্য ছিল ঘর সামলানো। প্রতিপক্ষ দলে ওতাবেকের মতো খেলোয়াড় থাকলে যা হয়! ১৬ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন ওতাবেক। বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে তাঁর নিজ ঢঙে দূরের পোস্টে বল জালে জড়িয়েছেন উজবেক এই মিডফিল্ডার। এমন শটে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কিছু করার থাকে না। গোল খেয়ে প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় আরও জোর দেয় বিমানবাহিনী।

default-image

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে তাদের কোনো বাধাই টিকেনি। প্রতিপক্ষ দলে সলোমন, ওতাবেকের মতো দ্রুতগতির খেলোয়াড়। তবু বিমানবাহিনী কেন রক্ষণভাগ ওপরে উঠিয়ে খেলাল, তা বোধগম্য নয়। তাদের রক্ষণভাগের পেছনে বড় ফাঁকা জায়গায় বাতাসে থ্রু পাসে শেষ দুটি গোল আদায় করেছে জামাল। ৫২ মিনিটে রাহবার–ওতাবেক ও সলোমন রসায়নে ২–০। মাঝমাঠ থেকে রাহবারের থ্রুতে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন ওতাবেক। বক্সের মধ্যে থেকে তাঁর কাটব্যাক থেকে দারুণভাবে ডান পায়ের শটে গোল করেন সলোমন।

২ মিনিট পরেই ফয়সাল–রাহবার ও সোহানুর রসায়নে ৩–০। রাহবারের উদ্দেশে বাতাসে থ্রু দেন ফয়সাল। তখনই রাহবারের পেছনে বলের জন্য দৌড় শুরু করেন সোহানুর। বলের দখল নেওয়ার চেষ্টা না করে প্রথম স্পর্শেই রাহবার বল বাড়িয়ে দেন। বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দেখেশুনে গোল করেছেন সোহানুর। একটু পর ওতাবেকের ফ্রি–কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে না এলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ স্বাধীনতা কাপ ভালো যায়নি শেখ জামালের। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল তারা। এবার শুরুটা হলো বড় জয় দিয়ে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন